চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে।
শনিবার বিকেলে ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটটির উদ্বোধন করা হয়।
গত বছরের নভেম্বরে চীনের বেইজিংয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় এবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হলো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ইউনান প্রাদেশিক কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য চাও চুনমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম এবং কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, এটি শুধু চীনা ভাষা শেখানোর প্রতিষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না; দুই দেশের মানুষ ও সংস্কৃতির মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।
চাও চুনমিন জানান, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ইউনান প্রদেশ থেকে ধারাবাহিক সহযোগিতা দেওয়া হবে। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও কার্যকরভাবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিল্প ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ জনবল তৈরিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সহায়ক হতে পারে।
চবি প্রতিনিধি 


















