স্মার্ট ও আধুনিক ডাকসেবা গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশে আজ ৯ অক্টোবর পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ডাক দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে দেশজুড়ে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ডাক অধিদপ্তর। এ বছরের প্রতিপাদ্য—‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’।
দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি।
বিশ্ব ডাক দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ ও আগামীকাল দেশের সব পর্যায়ের ডাকঘরে সঞ্চয় ব্যাংক কার্যক্রম ছাড়া সাধারণ ডাকসেবা চালু রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে পালিত হচ্ছে ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’।
এ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিশেষ চিঠি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও অনুষ্ঠিত হচ্ছে চিঠি উৎসব, ডাকটিকিট সংগ্রহ ও প্রদর্শনী এবং ডাকসেবা বিষয়ক মেলা। এসব আয়োজনের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিস্তৃত ডাক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে।
ডাক অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঐতিহ্যবাহী ডাকসেবার পাশাপাশি বাংলাদেশ ডাক বিভাগকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও জনবান্ধব লজিস্টিকস সেবা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে ডাক ব্যবস্থার ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর বিশ্ব ডাক দিবস পালন করা হয়। ১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ঐতিহাসিক দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরতে ১৯৬৯ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউপিইউ কংগ্রেসে ৯ অক্টোবরকে বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

















