ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব খাগড়াছড়ির কৃষি ও হস্তশিল্পপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ইপিবির মতবিনিময় সভা সোমবার ইসি সভায় চূড়ান্ত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, হ্যাটট্রিক জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে যুবারা রমনায় শুরু ৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র জে-৩০, কাল চার ফাইনাল ফের নাকচ এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও প্লাটিনাম জব্দ দুর্গাপূজায় ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে, ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন জারি, চাপে ইমরান খানের দল চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২০, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৭০
ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি

যশোরে চিকিৎসকের সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের দুই সদস্য আটক

যশোরে এক চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ব্যবহার করে ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে দিনাজপুর থেকে আটক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন দিনাজপুর সদর উপজেলার উত্তর রামনগর গ্রামের শাহিনুর রহমান শাহিন (৫০) ও বাহাদুরপুর বাজার এলাকার সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)। যশোর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় বুধবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডি যশোর জোনের ইন্সপেক্টর প্রভাস মল্লিক জানান, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর ইউনিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সাফায়েত হোসেন শহরের একটি পোশাকের দোকানে ক্রেডিট কার্ডে বিল পরিশোধের চেষ্টা করেন। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লেনদেন সম্পন্ন না হওয়ায় তিনি দোকান থেকে চলে যান।

এর প্রায় ১০ দিন পর দোকানের কাস্টমার কেয়ার কর্মকর্তা পরিচয়ে এক ব্যক্তি চিকিৎসককে ফোন করেন। প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে কার্ডের পিন নম্বর নেওয়া হয়। পরে ছয়টি বিকাশ নম্বরে মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা স্থানান্তর করা হয় বলে মামলার তদন্তে উঠে আসে।

মামলার তদন্তে আগে গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহিনুর রহমান ও সঞ্জয় গুপ্তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি জানতে পারে সিআইডি। পরে অভিযান চালিয়ে দিনাজপুর থেকে তাদের আটক করা হয়।

সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, শাহিন সিম কার্ড বিক্রির কাজের সুযোগ নিয়ে গ্রাহকদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করতেন। এসব তথ্য ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া সিম প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার তদন্তে অভিযুক্তদের ভূমিকা ও প্রতারণার পুরো প্রক্রিয়া আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব

ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি

যশোরে চিকিৎসকের সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের দুই সদস্য আটক

Update Time : ০৫:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

যশোরে এক চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ব্যবহার করে ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে দিনাজপুর থেকে আটক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন দিনাজপুর সদর উপজেলার উত্তর রামনগর গ্রামের শাহিনুর রহমান শাহিন (৫০) ও বাহাদুরপুর বাজার এলাকার সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)। যশোর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় বুধবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডি যশোর জোনের ইন্সপেক্টর প্রভাস মল্লিক জানান, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর ইউনিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সাফায়েত হোসেন শহরের একটি পোশাকের দোকানে ক্রেডিট কার্ডে বিল পরিশোধের চেষ্টা করেন। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লেনদেন সম্পন্ন না হওয়ায় তিনি দোকান থেকে চলে যান।

এর প্রায় ১০ দিন পর দোকানের কাস্টমার কেয়ার কর্মকর্তা পরিচয়ে এক ব্যক্তি চিকিৎসককে ফোন করেন। প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে কার্ডের পিন নম্বর নেওয়া হয়। পরে ছয়টি বিকাশ নম্বরে মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা স্থানান্তর করা হয় বলে মামলার তদন্তে উঠে আসে।

মামলার তদন্তে আগে গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহিনুর রহমান ও সঞ্জয় গুপ্তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি জানতে পারে সিআইডি। পরে অভিযান চালিয়ে দিনাজপুর থেকে তাদের আটক করা হয়।

সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, শাহিন সিম কার্ড বিক্রির কাজের সুযোগ নিয়ে গ্রাহকদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করতেন। এসব তথ্য ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া সিম প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার তদন্তে অভিযুক্তদের ভূমিকা ও প্রতারণার পুরো প্রক্রিয়া আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।