ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
দুই বছর পর দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৬ বাংলাদেশি কালকিনিতে বোরকা পরে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণের পর সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ অনলাইন জুয়ার টাকা উত্তোলন নিয়ে বাকবিতন্ডা, অপহরণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার শার্শা ও বেনাপোলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজা ইশরাকের অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান ‘খামখেয়ালি পদক্ষেপ’: নিলোফার মনি চার দিনেই ৪২৪ কোটি রুপি আয় রজনীকান্তের ‘জেলার ২’-এর! ভারতকে ২৭-০ গোলে উড়িয়ে স্কুল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বেনিন ‘আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেবে না জনগণ’: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরি, চাঁদপুর থেকে জসিম গ্রেপ্তার সরকারকে পাঁচ বছর কাজের সুযোগ দিতে হবে, ব্যর্থ হলে ভোটেই জবাব দেবে জনগণ: চিফ হুইপ

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে যত্নমূলক কাজের স্বীকৃতি জরুরি: ঢাবিতে আলোচনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে ‘কেয়ার ইকোনমি অ্যান্ড দ্য লেবার মার্কেট: রিথিংকিং উইমেন্স ইকোনমিক এজেন্সি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. সানজীদা আখতারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এবং উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তানিয়া হক।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ হলেও গৃহস্থালি পরিচালনা ও পরিবারের সদস্যদের যত্ন নেওয়ার মতো বিপুল পরিমাণ অবৈতনিক কাজ এখনো মূলত নারীর ওপরই নির্ভরশীল। এসব কাজের যথাযথ স্বীকৃতি না থাকায় নারীদের শ্রমবাজারে প্রবেশ, কর্মজীবন অব্যাহত রাখা এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে নানা বাধা তৈরি হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হলে যত্নমূলক বা ‘কেয়ার’ কাজকে অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণের আলোচনায় যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে এ খাতে কার্যকর ও বাস্তবসম্মত নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

তাদের মতে, নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়াতে শুধু কর্মক্ষেত্র নয়, রাষ্ট্র ও সমাজকেও সমন্বিতভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ, সামাজিক সহায়তা এবং যত্নমূলক কাজের দায়িত্বে ভারসাম্য নিশ্চিত করা গেলে নারীর শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো সম্ভব।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা নারীর অবৈতনিক শ্রমের মূল্যায়ন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই বছর পর দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৬ বাংলাদেশি

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে যত্নমূলক কাজের স্বীকৃতি জরুরি: ঢাবিতে আলোচনা

Update Time : ০৫:২৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে ‘কেয়ার ইকোনমি অ্যান্ড দ্য লেবার মার্কেট: রিথিংকিং উইমেন্স ইকোনমিক এজেন্সি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. সানজীদা আখতারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এবং উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তানিয়া হক।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ হলেও গৃহস্থালি পরিচালনা ও পরিবারের সদস্যদের যত্ন নেওয়ার মতো বিপুল পরিমাণ অবৈতনিক কাজ এখনো মূলত নারীর ওপরই নির্ভরশীল। এসব কাজের যথাযথ স্বীকৃতি না থাকায় নারীদের শ্রমবাজারে প্রবেশ, কর্মজীবন অব্যাহত রাখা এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে নানা বাধা তৈরি হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হলে যত্নমূলক বা ‘কেয়ার’ কাজকে অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণের আলোচনায় যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে এ খাতে কার্যকর ও বাস্তবসম্মত নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

তাদের মতে, নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়াতে শুধু কর্মক্ষেত্র নয়, রাষ্ট্র ও সমাজকেও সমন্বিতভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ, সামাজিক সহায়তা এবং যত্নমূলক কাজের দায়িত্বে ভারসাম্য নিশ্চিত করা গেলে নারীর শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো সম্ভব।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা নারীর অবৈতনিক শ্রমের মূল্যায়ন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।