ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মাদারীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তরুণীর মৃত্যু জ্বালানির দাম সহনীয় রাখতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির সালমান শাহ হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ৫ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ মিতিঙ্গাছড়িকে এসডিজি ভিলেজ হিসেবে গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান ঝিনাইদহে বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সচেতনতায় বিতর্ক ও নাটিকা নতুন প্রযুক্তি যেন ঘৃণা-সহিংসতা নয়, টেকসই উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়: রাষ্ট্রদূত আইরিন খান প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও দক্ষ কর্মসংস্থান বাড়াতে নীতি পর্যালোচনা করবে সরকার ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বই ছাপার কাজ দেখতে রাতে ছয় প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন ভারত থেকে দেশে ফিরলেন পাচারের শিকার দুই তরুণী

নতুন প্রযুক্তি যেন ঘৃণা-সহিংসতা নয়, টেকসই উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়: রাষ্ট্রদূত আইরিন খান

নতুন প্রযুক্তিকে ঘৃণা ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার কাজে ব্যবহার না করে টেকসই উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান।

ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (ডিডিপিএ) ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। ঢাকায় পাওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইরিন খান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নতুন প্রযুক্তির বিকাশে মানবাধিকার, সমতা ও বৈষম্যহীনতার নীতিগুলো নিশ্চিত করা জরুরি। অনলাইন ও অফলাইন—উভয় ক্ষেত্রেই মানুষের বৈচিত্র্য ও মর্যাদা সমুন্নত থাকে, এমন একটি বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, ২৫ বছর আগে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনায় জাতি, বর্ণ, বংশপরিচয় এবং জাতীয় বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য বন্ধের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছিল। তবে ওই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্ব এখনো কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ডিডিপিএর পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি দাসপ্রথা, ঔপনিবেশিকতা ও অন্যান্য ঐতিহাসিক অবিচার থেকে তৈরি কাঠামোগত বৈষম্য মোকাবিলায় ন্যায়বিচার, শিক্ষা, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

অভিবাসী, শরণার্থী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষ, সংখ্যালঘু, নারী, শিশু এবং বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত আইরিন খানের বক্তব্যে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে মানবাধিকার সুরক্ষা, সমতা এবং বৈষম্যহীনতার বিষয়গুলোকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তরুণীর মৃত্যু

নতুন প্রযুক্তি যেন ঘৃণা-সহিংসতা নয়, টেকসই উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়: রাষ্ট্রদূত আইরিন খান

Update Time : ০৪:১৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নতুন প্রযুক্তিকে ঘৃণা ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার কাজে ব্যবহার না করে টেকসই উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান।

ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (ডিডিপিএ) ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। ঢাকায় পাওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইরিন খান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নতুন প্রযুক্তির বিকাশে মানবাধিকার, সমতা ও বৈষম্যহীনতার নীতিগুলো নিশ্চিত করা জরুরি। অনলাইন ও অফলাইন—উভয় ক্ষেত্রেই মানুষের বৈচিত্র্য ও মর্যাদা সমুন্নত থাকে, এমন একটি বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, ২৫ বছর আগে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনায় জাতি, বর্ণ, বংশপরিচয় এবং জাতীয় বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য বন্ধের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছিল। তবে ওই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্ব এখনো কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ডিডিপিএর পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি দাসপ্রথা, ঔপনিবেশিকতা ও অন্যান্য ঐতিহাসিক অবিচার থেকে তৈরি কাঠামোগত বৈষম্য মোকাবিলায় ন্যায়বিচার, শিক্ষা, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

অভিবাসী, শরণার্থী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষ, সংখ্যালঘু, নারী, শিশু এবং বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত আইরিন খানের বক্তব্যে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে মানবাধিকার সুরক্ষা, সমতা এবং বৈষম্যহীনতার বিষয়গুলোকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।