হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে শিশুদের টিকাদান সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে মসজিদের ইমাম ও খতিবদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে আয়োজিত এডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী বলেন, টিকাদান কর্মসূচিকে সফল করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে। মসজিদভিত্তিক সচেতনতামূলক প্রচারের মাধ্যমে অভিভাবকদের শিশুদের সময়মতো টিকা দিতে উৎসাহিত করা সম্ভব বলেও সভায় মত দেন বক্তারা।
সভায় হাম-রুবেলার বর্তমান পরিস্থিতি, টিকার প্রয়োজনীয়তা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে টিকা নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি দূর করতে ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক সরকার সরোয়ার আলম সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন। হাম-রুবেলা পরিস্থিতি ও টিকাদান কর্মসূচির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআইয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাজিব সরকার।
এ সময় ইউনিসেফের সিনিয়র ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ডা. মো. শামছুজ্জামান সভার উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে পরিকল্পনা ও করণীয় নিয়ে বক্তব্য দেন ইউনিসেফ বিসিওর এসবিসি অফিসার এ আর এম এম কামাল।
আলোচনায় অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলার মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষায় নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে মসজিদকেন্দ্রিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি হতে পারে।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা মাঠপর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইউনিসেফসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির সফলতা কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
নিউজ ডেস্ক 



















