কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় সুমন মিয়া (৩৫) নামে এক অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার সকালে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ বড়ুয়া।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার ভোরাজগৎপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের পাশ থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বাবা মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় লালমাই থানায় হত্যা মামলা করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর রাতে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে বাসায় যাওয়ার জন্য সুমনের অটোরিকশা ভাড়া করেছিল তাজমিন। পথে চালক তাকে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে সুমন স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।
হত্যার পর তাজমিনের আইফোন নিয়ে বাখরাবাদ এলাকার একটি পুকুরপাড়ের ঝোপে লুকিয়ে রাখেন অভিযুক্ত। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফোনটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। সে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় থাকত এবং ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
কুমিল্লা প্রতিনিধি 



















