বাগেরহাটে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
আজ বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রস্তুতি সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বৈধ ও মানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কারণে সাধারণ মানুষ যাতে প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি গ্রহণযোগ্য নয়।
সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
প্রতিমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ, যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং হাসপাতালগুলোর সার্বিক প্রস্তুতি জোরদারের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
মতবিনিময় সভায় বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মো. জাকির হোসেন, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার, পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলাম এবং হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তাপস কুমার সরকারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাগেরহাটের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
বাগেরহাট প্রতিনিধি 



















