কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ভাতিজা মো. ফারুক হোসেনের ধারালো অস্ত্রের কোপে সোনা ভান (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর চাচা, বোন ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রীসহ আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার উত্তর বারবান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোনা ভান ওই গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ফারুক হোসেন (৩২) উত্তর বারবান্দা গ্রামের মৃত জয়নাল জোদ্দারের ছেলে। তিনি প্রায় তিন মাস আগে দুবাই থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। এরপর থেকে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ফারুক তাঁর মা ও ছেলে মাহমুদুলকে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাঁদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন। এ সময় ফারুক ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান।
হামলায় তাঁর চাচি সোনা ভান গুরুতর আহত হন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে ফারুকের চাচা খলিল হোসেন (৫০), বোন মমিনা খাতুন (৩৫) ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জোসনা বেগম (২৬) ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ফারুককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আহত তিনজনকে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাওছার আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
মো. কাজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 






















