মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই প্রতিরোধে কুমিল্লার ১৮টি থানায় একযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৭৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
শনিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততার বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে ১৪২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাকি ১৩৩ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবক বা জিম্মাদারের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় জেলার ১৮টি থানার পুলিশ সদস্য এবং গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। নগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার অপরাধপ্রবণ স্থানে অভিযান চালানো হয়।
বিশেষ করে কিশোরদের আড্ডা ও উৎপাতের অভিযোগ রয়েছে, এমন স্থানগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়। অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই প্রতিরোধের পাশাপাশি কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা শনাক্ত এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের অপরাধে সম্পৃক্ততার বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সতর্ক নজর রাখা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধবিষয়ক খবর পড়তে ভিজিট করুন তথ্যপ্রকাশ ডটকম।
কুমিল্লা প্রতিনিধি 























