ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ধরলার ভাঙনে জগমনের চর বিপর্যস্ত, স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন লাইসেন্স ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, ২২টি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট মাদারীপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে বাসের ধাক্কা, আহত ১৫ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বেনাপোলে যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দল-ছাত্রদলের মিছিল যশোরে ট্রেনের ধাক্কায় ইজিবাইক দুমড়ে মুচড়ে নিহত দুই  যশোরবাসী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ সেবা পাবে : প্রতিমন্ত্রী অমিত অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড, আগস্টে আয় ৬৪৩ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি আবাসস্থল পরিবর্তনে ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম ফের চালু করল ইসি ভারতীয় রুপির বিপরীতে দুই বছরে ১১.৬% শক্তিশালী হয়েছে টাকা

যশোরের শার্শা উপজেলার স্কুল মাদ্রাসার ফলাফল হতাশাজনক : ৩টিতে শতভাগ ফেল, শতভাগ পাশও নেই কোন প্রতিষ্ঠান

যশোরের শার্শা উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ফল বিপর্যয় ঘটেছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। দাখিল পরীক্ষায় ৩৩ টি মাদরাসার মধ্যে দুইটি মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। বাকী ৩১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ পাশের তালিকায় কোন প্রতিষ্ঠানের নাম নেই। সব প্রতিষ্ঠানেই ফলাফল হতাশাজনক। ৮৩৭ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮১২ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৩৪২ জন। এ প্লাস পেয়েছে মাত্র ৩জন। পাশের হার ৪০ দশমিক ৮৬ ভাগ।

 

অন্যদিকে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয় না ঘটলেও ফলাফল হতাশাজনক। ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের ৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাশ করতে পারেনি। আর একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার কোন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। বাকী ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ পাশ কোন প্রতিষ্ঠান তালিকায় নেই। সব প্রতিষ্ঠানেই ফলাফল হতাশাজনক। দুই হাজার ৩০০ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয় দুই হাজার ২৬১ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র এক হাজার ৫০২ জন। এ প্লাস পেয়েছে মাত্র ১২৬ জন। পাশের হার ৬৫ দশমিক ৩ ভাগ।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) শার্শা উপজেলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত) এস.এম. সুলতান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা যায়, শার্শায় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শীর্ষে নাভারন বুরুজ বাগান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ১২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১০ জন পাশ করেছে। উপজেলায় সর্বোচ্চ পাসের হার ৯০ দশমিক ১৬ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ১৫ জন শিক্ষার্থী। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ১৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫২ জন পাশ করেছে। পাসের হার ৮০ দশমিক ৮৫ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ২০ জন শিক্ষার্থী। তৃতীয় স্থানে রয়েছে শার্শা সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। মোট ৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ জন পাস করেছে, পাসের হার ৭৬ দশমিক ৮২ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ৮ জন শিক্ষার্থী। চতুর্থ স্থানে বাগআঁচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৬ জন পাশ করেছে, পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪১ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ১১ জন শিক্ষার্থী। ৫ম স্থানে রয়েছে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮০ জন পাশ করেছে, পাসের হার শতকরা ৭২ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ৯ জন শিক্ষার্থী।।

৪ পরীক্ষার্থীর জন্য ৯ শিক্ষক, পাস করেনি কেউ, ১২ শিক্ষকের ১৭ শিক্ষার্থী সবাই ফেল। ২৩ শিক্ষার্থীর একজনকেও পাশ করাতে পারলেন না ৯ জন শিক্ষক। উপজেলার সাড়াতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষক মাত্র চারজন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়েও পাস করাতে পারেননি একজনকেও। প্রধান শিক্ষিকা বিষয়টি মেনে নিয়ে বললেন শিক্ষক সংকটে ঠিকমত পাঠদান করা যায়নি।

 

শতভাগ ফেল করা আর একটি মাদ্রাসা হলো বারোপোতা সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসায় ১২ জন শিক্ষক ১৭ জন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়েও পাস করাতে পারেননি একজনকেও। একই উপজেলার ঘিবা দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসায় ৯ জন শিক্ষক ২৩ জন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়েও পাস করাতে পারেননি একজনকেও।

 

এসব নিয়ে এলাকার অভিভাবকসহ সচেতন মহল বলছেন, বেশির ভাগ শিক্ষকরা রাজনীতি ও ব্যবসায় ঝুঁকে পড়ায় পাঠদানে মনোনিবেশ করতে পারছে না। দেরি করে স্কুলে আসা ও সময়ের আগেই স্কুল ত্যাগ করা অভ্যাসে পরিণত হয়ে পড়েছে। বেশ কিছু স্কুল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটিতে দলীয় ভাবে সভাপতি নিয়োগ ও কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ করায় তারা ঠিকমত দেখভাল করতে পারছেন না। জবাবদিহী না থাকায় ফলাফল বিপর্ষয়ের প্রধান কারণ।

অন্যদিকে শিক্ষকদের দাবি, আমরা ঠিকমত পাঠদান করে থাকি। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াশুনার কোন খোঁজখবর নেয় না। স্কুলে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী না এলে আমরা অভিভাবকদের জানালেও তারা কোন পদক্ষেপ নেন না।

 

শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি যদি ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হয়ে থাকে, তাহলে তাদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে আনা এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির কার্যকর উদ্যোগ কতটা ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

শার্শা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার একেএম নুরুজ্জামান জানান, কিছু কিছু স্কুল মাদ্রসা এবার এমপিওভুক্ত হলেও তাদের আগের ফলাফল চেয়ে এবার ফলাফল খুবই খারাপ করেছে। শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল অবশ্যই হতাশাজনক। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখব। কেন এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

ধরলার ভাঙনে জগমনের চর বিপর্যস্ত, স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন

যশোরের শার্শা উপজেলার স্কুল মাদ্রাসার ফলাফল হতাশাজনক : ৩টিতে শতভাগ ফেল, শতভাগ পাশও নেই কোন প্রতিষ্ঠান

Update Time : ০৭:২৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ফল বিপর্যয় ঘটেছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। দাখিল পরীক্ষায় ৩৩ টি মাদরাসার মধ্যে দুইটি মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। বাকী ৩১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ পাশের তালিকায় কোন প্রতিষ্ঠানের নাম নেই। সব প্রতিষ্ঠানেই ফলাফল হতাশাজনক। ৮৩৭ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮১২ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৩৪২ জন। এ প্লাস পেয়েছে মাত্র ৩জন। পাশের হার ৪০ দশমিক ৮৬ ভাগ।

 

অন্যদিকে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয় না ঘটলেও ফলাফল হতাশাজনক। ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের ৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাশ করতে পারেনি। আর একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার কোন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। বাকী ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ পাশ কোন প্রতিষ্ঠান তালিকায় নেই। সব প্রতিষ্ঠানেই ফলাফল হতাশাজনক। দুই হাজার ৩০০ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয় দুই হাজার ২৬১ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র এক হাজার ৫০২ জন। এ প্লাস পেয়েছে মাত্র ১২৬ জন। পাশের হার ৬৫ দশমিক ৩ ভাগ।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) শার্শা উপজেলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত) এস.এম. সুলতান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা যায়, শার্শায় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শীর্ষে নাভারন বুরুজ বাগান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ১২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১০ জন পাশ করেছে। উপজেলায় সর্বোচ্চ পাসের হার ৯০ দশমিক ১৬ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ১৫ জন শিক্ষার্থী। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ১৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫২ জন পাশ করেছে। পাসের হার ৮০ দশমিক ৮৫ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ২০ জন শিক্ষার্থী। তৃতীয় স্থানে রয়েছে শার্শা সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। মোট ৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ জন পাস করেছে, পাসের হার ৭৬ দশমিক ৮২ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ৮ জন শিক্ষার্থী। চতুর্থ স্থানে বাগআঁচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৬ জন পাশ করেছে, পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪১ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ১১ জন শিক্ষার্থী। ৫ম স্থানে রয়েছে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮০ জন পাশ করেছে, পাসের হার শতকরা ৭২ ভাগ। এ প্লাস পেয়েছে ৯ জন শিক্ষার্থী।।

৪ পরীক্ষার্থীর জন্য ৯ শিক্ষক, পাস করেনি কেউ, ১২ শিক্ষকের ১৭ শিক্ষার্থী সবাই ফেল। ২৩ শিক্ষার্থীর একজনকেও পাশ করাতে পারলেন না ৯ জন শিক্ষক। উপজেলার সাড়াতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষক মাত্র চারজন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়েও পাস করাতে পারেননি একজনকেও। প্রধান শিক্ষিকা বিষয়টি মেনে নিয়ে বললেন শিক্ষক সংকটে ঠিকমত পাঠদান করা যায়নি।

 

শতভাগ ফেল করা আর একটি মাদ্রাসা হলো বারোপোতা সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসায় ১২ জন শিক্ষক ১৭ জন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়েও পাস করাতে পারেননি একজনকেও। একই উপজেলার ঘিবা দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসায় ৯ জন শিক্ষক ২৩ জন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়েও পাস করাতে পারেননি একজনকেও।

 

এসব নিয়ে এলাকার অভিভাবকসহ সচেতন মহল বলছেন, বেশির ভাগ শিক্ষকরা রাজনীতি ও ব্যবসায় ঝুঁকে পড়ায় পাঠদানে মনোনিবেশ করতে পারছে না। দেরি করে স্কুলে আসা ও সময়ের আগেই স্কুল ত্যাগ করা অভ্যাসে পরিণত হয়ে পড়েছে। বেশ কিছু স্কুল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটিতে দলীয় ভাবে সভাপতি নিয়োগ ও কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ করায় তারা ঠিকমত দেখভাল করতে পারছেন না। জবাবদিহী না থাকায় ফলাফল বিপর্ষয়ের প্রধান কারণ।

অন্যদিকে শিক্ষকদের দাবি, আমরা ঠিকমত পাঠদান করে থাকি। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াশুনার কোন খোঁজখবর নেয় না। স্কুলে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী না এলে আমরা অভিভাবকদের জানালেও তারা কোন পদক্ষেপ নেন না।

 

শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি যদি ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হয়ে থাকে, তাহলে তাদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে আনা এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির কার্যকর উদ্যোগ কতটা ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

শার্শা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার একেএম নুরুজ্জামান জানান, কিছু কিছু স্কুল মাদ্রসা এবার এমপিওভুক্ত হলেও তাদের আগের ফলাফল চেয়ে এবার ফলাফল খুবই খারাপ করেছে। শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল অবশ্যই হতাশাজনক। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখব। কেন এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।