ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
দুই বছর পর চালু হচ্ছে কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস কুড়িগ্রামে সার বিতরণে বিলম্ব; সড়ক অবরোধ কৃষকের তল্লাশিতে মিললো না শরীরে থাকা সোনার পেস্ট, এক্সরে-তে ধরা যশোরের শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন ও ভালো দামে খুশি চাষিরা বেনাপোলে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ, তিন মাসে লাগানো হয়েছে ১০ হাজার গাছ বেনাপোল সীমান্তে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার যশোরে ৮ উপজেলায় ইউপি নির্বাচন; প্রস্তুতি ঘিরে ৫৪ ভোটকেন্দ্রে পরিবর্তন কুড়িগ্রামের মাঝের চরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা ফেনসিডিল মামলায় শার্শার পাকশিয়ায় স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন চার বছরের পথচলার শেষে বিদায়—স্মৃতির পাতায় ৩৯তম ব্যাচ

ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহাসিক আমগাছ ও সমতলের চা বাগান পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তে প্রায় দুই শত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক আমগাছ এবং সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

সোমবার বিকেলে তিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী হরিণমারী এলাকার ঐতিহ্যবাহী আমগাছ এবং নিটলডোবা গ্রামের সুলতান টি বাগান ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি চা বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরে নিজেও শ্রমিকদের সঙ্গে চা গাছ থেকে পাতা সংগ্রহ করে চা শ্রমিকের কাজের অভিজ্ঞতা নেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, সমতল এলাকায় চা চাষ তিনি আগে কখনো দেখেননি। বাংলাদেশে এসে প্রথমবারের মতো সমতলের চা বাগান দেখে তিনি আনন্দিত। একই সঙ্গে শতবর্ষী আমগাছটি দেখেও তিনি মুগ্ধ হয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। এ দেশের মানুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে স্থানীয় জনগণ আরও দ্রুত উন্নতি করতে সক্ষম হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, জেলার বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্য তাকে আকৃষ্ট করেছে। এ সময় তিনি স্থানীয় দর্শনীয় স্থান ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সুলতান টি বাগান ও প্রাচীন আমগাছটির গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান।

পরিদর্শনের সময় সুলতান টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। স্থানীয় ঐতিহ্য ও সম্ভাবনাময় পর্যটনস্থল সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতের আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এলাকাবাসী।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই বছর পর চালু হচ্ছে কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস

ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহাসিক আমগাছ ও সমতলের চা বাগান পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

Update Time : ০৫:৪৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তে প্রায় দুই শত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক আমগাছ এবং সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

সোমবার বিকেলে তিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী হরিণমারী এলাকার ঐতিহ্যবাহী আমগাছ এবং নিটলডোবা গ্রামের সুলতান টি বাগান ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি চা বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরে নিজেও শ্রমিকদের সঙ্গে চা গাছ থেকে পাতা সংগ্রহ করে চা শ্রমিকের কাজের অভিজ্ঞতা নেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, সমতল এলাকায় চা চাষ তিনি আগে কখনো দেখেননি। বাংলাদেশে এসে প্রথমবারের মতো সমতলের চা বাগান দেখে তিনি আনন্দিত। একই সঙ্গে শতবর্ষী আমগাছটি দেখেও তিনি মুগ্ধ হয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। এ দেশের মানুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে স্থানীয় জনগণ আরও দ্রুত উন্নতি করতে সক্ষম হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, জেলার বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্য তাকে আকৃষ্ট করেছে। এ সময় তিনি স্থানীয় দর্শনীয় স্থান ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সুলতান টি বাগান ও প্রাচীন আমগাছটির গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান।

পরিদর্শনের সময় সুলতান টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। স্থানীয় ঐতিহ্য ও সম্ভাবনাময় পর্যটনস্থল সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতের আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এলাকাবাসী।