ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
চকবাজারের মঞ্জুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে, টানা সাড়ে ১২ ঘণ্টা অভিযান নাগেশ্বরীতে আ.লীগ-জাতীয় পার্টির নেতাদের সার ডিলার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ দুর্গাপূজায় টানা ৮ দিন বন্ধ বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব খাগড়াছড়ির কৃষি ও হস্তশিল্পপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ইপিবির মতবিনিময় সভা সোমবার ইসি সভায় চূড়ান্ত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, হ্যাটট্রিক জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে যুবারা রমনায় শুরু ৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র জে-৩০, কাল চার ফাইনাল ফের নাকচ এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও প্লাটিনাম জব্দ

শ্রমিকদের ২২ হাজার ৩৮৯টি আইনি পরামর্শ দিয়েছে লিগ্যাল এইড

সরকারি খরচে শ্রমিকদের আইনি সহায়তা দিতে গিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ২২ হাজার ৩৮৯টি আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে শ্রমিকদের পক্ষে ৭ কোটি ৩ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৬ টাকা ক্ষতিপূরণও আদায় করা হয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিকদের ৪ হাজার ৭০৮টি মামলায় সরকারি আইনগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮২৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৪১৭টি মামলায়। এ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হয়েছে ১ হাজার ৯৭১টি মামলা।

আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে মোট ৩০ হাজার ৫১৪ জন শ্রমিক উপকারভোগী হয়েছেন।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার তথ্য বলছে, শুরুতে দেশের জেলা পর্যায়ে আর্থিকভাবে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি আইনি সহায়তার কার্যক্রম চালু করা হয়। পরবর্তী সময়ে এর পরিধি বাড়িয়ে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং দেশের বিভিন্ন কারাগারেও এ সেবা সম্প্রসারণ করা হয়।

বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং সরকারি আইনি সহায়তার জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় হেল্পলাইনের টোল ফ্রি নম্বর ১৬৬৯৯।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও বিচারপ্রার্থী অসহায় মানুষের বিনা খরচে আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর আওতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীন জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা পুরো কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

চকবাজারের মঞ্জুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে, টানা সাড়ে ১২ ঘণ্টা অভিযান

শ্রমিকদের ২২ হাজার ৩৮৯টি আইনি পরামর্শ দিয়েছে লিগ্যাল এইড

Update Time : ০৫:৩৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি খরচে শ্রমিকদের আইনি সহায়তা দিতে গিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ২২ হাজার ৩৮৯টি আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে শ্রমিকদের পক্ষে ৭ কোটি ৩ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৬ টাকা ক্ষতিপূরণও আদায় করা হয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিকদের ৪ হাজার ৭০৮টি মামলায় সরকারি আইনগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮২৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৪১৭টি মামলায়। এ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হয়েছে ১ হাজার ৯৭১টি মামলা।

আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে মোট ৩০ হাজার ৫১৪ জন শ্রমিক উপকারভোগী হয়েছেন।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার তথ্য বলছে, শুরুতে দেশের জেলা পর্যায়ে আর্থিকভাবে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি আইনি সহায়তার কার্যক্রম চালু করা হয়। পরবর্তী সময়ে এর পরিধি বাড়িয়ে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং দেশের বিভিন্ন কারাগারেও এ সেবা সম্প্রসারণ করা হয়।

বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং সরকারি আইনি সহায়তার জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় হেল্পলাইনের টোল ফ্রি নম্বর ১৬৬৯৯।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও বিচারপ্রার্থী অসহায় মানুষের বিনা খরচে আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর আওতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীন জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা পুরো কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।