ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
চকবাজারের মঞ্জুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে, টানা সাড়ে ১২ ঘণ্টা অভিযান নাগেশ্বরীতে আ.লীগ-জাতীয় পার্টির নেতাদের সার ডিলার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ দুর্গাপূজায় টানা ৮ দিন বন্ধ বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব খাগড়াছড়ির কৃষি ও হস্তশিল্পপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ইপিবির মতবিনিময় সভা সোমবার ইসি সভায় চূড়ান্ত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, হ্যাটট্রিক জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে যুবারা রমনায় শুরু ৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র জে-৩০, কাল চার ফাইনাল ফের নাকচ এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও প্লাটিনাম জব্দ

দুই বছর পর চালু হচ্ছে কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস

দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হতে যাচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলাচলকারী কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো ট্রেন চলাচলের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

দেশের অন্যতম বৃহৎ স্থলবন্দর ও আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন হাজারো পাসপোর্টধারী যাত্রী এবং শত শত আমদানি-রপ্তানিবাহী ট্রাক যাতায়াত করে। দুই দেশের নাগরিকদের নিরাপদ ও সহজ যাতায়াতের সুযোগ তৈরি করতে ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর খুলনা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালু করা হয়।

তবে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বন্ধন এক্সপ্রেসের পাশাপাশি মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হলে দুই দেশের নাগরিকদের যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয়ও কমবে।

বেনাপোল রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলেই দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে বেনাপোল রেলস্টেশনের বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বেনাপোল রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. আয়নাল হাসান জানান, যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে স্টেশন এলাকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিশেষ করে ওয়েটিং রুমসহ স্টেশনের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুতের কাজ চলছে।

বন্ধন এক্সপ্রেস ও মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালু হলে ভ্রমণ, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল বাড়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

চকবাজারের মঞ্জুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে, টানা সাড়ে ১২ ঘণ্টা অভিযান

দুই বছর পর চালু হচ্ছে কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস

Update Time : ০৫:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হতে যাচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলাচলকারী কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো ট্রেন চলাচলের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

দেশের অন্যতম বৃহৎ স্থলবন্দর ও আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন হাজারো পাসপোর্টধারী যাত্রী এবং শত শত আমদানি-রপ্তানিবাহী ট্রাক যাতায়াত করে। দুই দেশের নাগরিকদের নিরাপদ ও সহজ যাতায়াতের সুযোগ তৈরি করতে ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর খুলনা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালু করা হয়।

তবে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বন্ধন এক্সপ্রেসের পাশাপাশি মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হলে দুই দেশের নাগরিকদের যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয়ও কমবে।

বেনাপোল রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলেই দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে বেনাপোল রেলস্টেশনের বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বেনাপোল রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. আয়নাল হাসান জানান, যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে স্টেশন এলাকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিশেষ করে ওয়েটিং রুমসহ স্টেশনের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুতের কাজ চলছে।

বন্ধন এক্সপ্রেস ও মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালু হলে ভ্রমণ, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল বাড়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।