ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব, ৫ লিটারে বাড়তে পারে ৭০ টাকা স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৬৮, বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা নেতানিয়াহুবিরোধী ক্ষোভে ভোটকেন্দ্রে আরবরা, ইসরাইলের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিকল্প নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ ৬০ বছর পূর্তিতে চবির হীরকজয়ন্তী, রেজিস্ট্রেশন শুরু ৩০ অক্টোবর ২০৩০ বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো সফরে যাচ্ছে ফিফা মালয়েশিয়ায় কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর, অনুমোদন ছাড়া পরীক্ষা করালে  ব্যবস্থা চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকার উপপরিচালক গোলাম মাঈনউদ্দীন হাসানকে বিদায় সংবর্ধনা ‘বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়ে ভুক্তভোগী’ মন্তব্য: জামিন পেলেন ভালুকার সাথী আক্তার ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার

ব্যাংকের বিশেষ তহবিল ৩০০ কোটি টাকা করার দাবি ডিবিএর

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান তারল্য সংকট মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা জোরদারে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ তহবিল সুবিধার সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।

ডিবিএর প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের জন্য বর্তমানে সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের সুযোগ রয়েছে। এ সীমা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করার পাশাপাশি তহবিলটির মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এ বিষয়ে ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গত ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের কাছে দেওয়া হয়েছে। চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খানের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে ডিবিএ উল্লেখ করেছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ও বাজারের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চালু করা বিশেষ তহবিল সুবিধা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বাজারের তারল্য ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

বর্তমানে প্রতিটি তফসিলি ব্যাংক সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত এ তহবিল গঠন করতে পারে। বিদ্যমান সুবিধাটির মেয়াদ আগামী ৩০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ডিবিএর প্রস্তাব অনুযায়ী, তহবিলের সীমা ৩০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করে এর মেয়াদ ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০৩১ পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন।

সংগঠনটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও বিশেষ তহবিল সুবিধা অব্যাহত ও সম্প্রসারণ করা হলে দেশের পুঁজিবাজারে তারল্য ও বাজারের গভীরতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ উৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও জোরদার হবে বলে মনে করছে ডিবিএ।

পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ডিবিএর প্রস্তাবটি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা জানিয়েছে সংগঠনটি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব, ৫ লিটারে বাড়তে পারে ৭০ টাকা

ব্যাংকের বিশেষ তহবিল ৩০০ কোটি টাকা করার দাবি ডিবিএর

Update Time : ০৫:৩৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান তারল্য সংকট মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা জোরদারে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ তহবিল সুবিধার সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।

ডিবিএর প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের জন্য বর্তমানে সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের সুযোগ রয়েছে। এ সীমা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করার পাশাপাশি তহবিলটির মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এ বিষয়ে ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গত ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের কাছে দেওয়া হয়েছে। চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খানের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে ডিবিএ উল্লেখ করেছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ও বাজারের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চালু করা বিশেষ তহবিল সুবিধা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বাজারের তারল্য ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

বর্তমানে প্রতিটি তফসিলি ব্যাংক সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত এ তহবিল গঠন করতে পারে। বিদ্যমান সুবিধাটির মেয়াদ আগামী ৩০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ডিবিএর প্রস্তাব অনুযায়ী, তহবিলের সীমা ৩০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করে এর মেয়াদ ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০৩১ পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন।

সংগঠনটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও বিশেষ তহবিল সুবিধা অব্যাহত ও সম্প্রসারণ করা হলে দেশের পুঁজিবাজারে তারল্য ও বাজারের গভীরতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ উৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও জোরদার হবে বলে মনে করছে ডিবিএ।

পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ডিবিএর প্রস্তাবটি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা জানিয়েছে সংগঠনটি।