মা ইলিশের প্রজনন ও নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে নাটোরে শুরু হয়েছে ২২ দিনের ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান। অভিযানের অংশ হিসেবে পদ্মা নদীসংলগ্ন এলাকার নিবন্ধিত ৭৫০টি জেলে পরিবারকে সরকারি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী সর্বনিম্ন এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ও জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি লালপুরে জেলেদের অংশগ্রহণে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাইকিং, লিফলেট, ফেস্টুন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চালানো হচ্ছে প্রচারণা।
পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী ইলিশ আহরণে সম্পৃক্ত ৭৫০টি জেলে পরিবারের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। জেলেদের জীবিকা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার সময়ে এ সহায়তা তাদের খাদ্য নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওমর আলী জানান, মা ইলিশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পদ্মা নদীর প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিশেষ নজরদারি থাকবে। একই সঙ্গে হাট-বাজারগুলোতেও তদারকি জোরদার করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যের ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।
নাটোর প্রতিনিধি 

















