ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব খাগড়াছড়ির কৃষি ও হস্তশিল্পপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ইপিবির মতবিনিময় সভা সোমবার ইসি সভায় চূড়ান্ত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, হ্যাটট্রিক জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে যুবারা রমনায় শুরু ৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র জে-৩০, কাল চার ফাইনাল ফের নাকচ এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও প্লাটিনাম জব্দ দুর্গাপূজায় ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে, ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন জারি, চাপে ইমরান খানের দল চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২০, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৭০

পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের মরদেহ

ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ। কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পর রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে তার মরদেহ বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে শনিবার সকাল ৭টার দিকে ৪৮ বছর বয়সে মারা যান রোটন। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

রোববার সকালে মরদেহ বাংলাদেশে প্রবেশের পর তা গ্রহণ করেন রোটনের বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন। এর আগে কলকাতা থেকে তার বোনের ছেলে সোহানুর রহমানের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্রও দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, পুলিশি প্রহরায় বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে রোটনের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট পাসপোর্ট ব্যবহার করে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান রোটন। চিকিৎসার জন্য দুই বছরের বেশি সময় ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন তিনি। শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর অনুমতিপত্র ইস্যু করে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, মরদেহ দেশে প্রবেশের আগে ভোর থেকেই বেনাপোল চেকপোস্ট সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলও প্রায় বন্ধ রাখা হয়।

রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হন তিনি। ২০২১ সালে তাকে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়।

বেনাপোল সীমান্তের আরও খবর পড়ুন: বেনাপোল-সম্পর্কিত প্রতিবেদন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব

পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের মরদেহ

Update Time : ০৯:৪২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ। কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পর রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে তার মরদেহ বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে শনিবার সকাল ৭টার দিকে ৪৮ বছর বয়সে মারা যান রোটন। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

রোববার সকালে মরদেহ বাংলাদেশে প্রবেশের পর তা গ্রহণ করেন রোটনের বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন। এর আগে কলকাতা থেকে তার বোনের ছেলে সোহানুর রহমানের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্রও দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, পুলিশি প্রহরায় বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে রোটনের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট পাসপোর্ট ব্যবহার করে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান রোটন। চিকিৎসার জন্য দুই বছরের বেশি সময় ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন তিনি। শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর অনুমতিপত্র ইস্যু করে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, মরদেহ দেশে প্রবেশের আগে ভোর থেকেই বেনাপোল চেকপোস্ট সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলও প্রায় বন্ধ রাখা হয়।

রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হন তিনি। ২০২১ সালে তাকে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়।

বেনাপোল সীমান্তের আরও খবর পড়ুন: বেনাপোল-সম্পর্কিত প্রতিবেদন।