ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মা ইলিশ রক্ষায় নৌবাহিনীর অভিযান, জব্দ ২৫ কোটি টাকার অবৈধ জাল মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন ইশরাক হোসেন স্লো ওভার রেটের দায়ে বাংলাদেশের ৫ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা কুমিল্লায় রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানো, আড়তকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলা; ৮ ডিসেম্বর আপিল শুনানি ঢাকা বোর্ডে এসএসসি বৃত্তির তালিকা প্রকাশ, মেধাবীরা পাবেন মাসে ৬০০ টাকা কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সব উপজেলায় কমিটি, সভাপতি ইউএনও কেনিয়ায় ১৯১ জনকে হত্যার মামলায় পল ম্যাকেঞ্জির রায় প্রবাসী কর্মীদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি, আবেদন ২৫ অক্টোবর থেকে যশোরে চিকিৎসকদের অস্পষ্ট প্রেসক্রিপশন, ভোগান্তিতে রোগীরা ও বাড়ছে ভুল ওষুধের ঝুঁকি

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলা; ৮ ডিসেম্বর আপিল শুনানি

পুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে মামলাটির শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করা হয়েছে।

আজ বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত শুনানির এ তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

যেভাবে হত্যা করা হয় বিশ্বজিৎকে

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে বিশ্বজিৎ দাসকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায় ঘোষণা করেন। বিচারিক আদালতের রায়ে ২১ আসামির মধ্যে আটজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামিরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।

মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। ওই রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আট আসামির মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। চারজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং বাকি দুজনকে খালাস দেওয়া হয়।

হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদার।

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পাওয়া দুই আসামি হলেন সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপু।

অন্যদিকে, মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া চার আসামি হলেন মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন এবং মীর মো. নূরে আলম লিমন।

বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ১৩ আসামির মধ্যে আপিল করা দুই আসামি এএইচএম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা হাইকোর্টে খালাস পান। বাকি ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

তাঁরা হলেন খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন।

৮ ডিসেম্বরের শুনানিতে নজর

দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল শুনানি গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ৮ ডিসেম্বর আপিল বিভাগে শুনানির মধ্য দিয়ে মামলার পরবর্তী বিচারিক অগ্রগতি নির্ধারিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: তথ্য প্রকাশের জাতীয় সংবাদ বিভাগ | তথ্য প্রকাশের মূল ওয়েবসাইট

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

মা ইলিশ রক্ষায় নৌবাহিনীর অভিযান, জব্দ ২৫ কোটি টাকার অবৈধ জাল

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলা; ৮ ডিসেম্বর আপিল শুনানি

Update Time : ০৮:২৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

পুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে মামলাটির শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করা হয়েছে।

আজ বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত শুনানির এ তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

যেভাবে হত্যা করা হয় বিশ্বজিৎকে

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে বিশ্বজিৎ দাসকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ রায় ঘোষণা করেন। বিচারিক আদালতের রায়ে ২১ আসামির মধ্যে আটজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামিরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।

মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। ওই রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আট আসামির মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। চারজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং বাকি দুজনকে খালাস দেওয়া হয়।

হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদার।

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পাওয়া দুই আসামি হলেন সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপু।

অন্যদিকে, মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া চার আসামি হলেন মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন এবং মীর মো. নূরে আলম লিমন।

বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ১৩ আসামির মধ্যে আপিল করা দুই আসামি এএইচএম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা হাইকোর্টে খালাস পান। বাকি ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

তাঁরা হলেন খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন।

৮ ডিসেম্বরের শুনানিতে নজর

দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল শুনানি গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ৮ ডিসেম্বর আপিল বিভাগে শুনানির মধ্য দিয়ে মামলার পরবর্তী বিচারিক অগ্রগতি নির্ধারিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: তথ্য প্রকাশের জাতীয় সংবাদ বিভাগ | তথ্য প্রকাশের মূল ওয়েবসাইট