ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে ২ বিলিয়ন ডলারের বাজারের সম্ভাবনা গণতন্ত্র পুনর্গঠনে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস আইপিইউ মহাসচিবের সীমান্ত হত্যা ও চোরাচালান বন্ধে বিজিবিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মতভেদ থাকলেও আলোচনার পথ খোলা, সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে ঐকমত্যের আহ্বান দেশে বর্তমান ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল হাইকোর্টে স্পিকারের সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিবের সাক্ষাৎ, গণতন্ত্র ও সংসদীয় কূটনীতি নিয়ে আলোচনা এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) নবম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সূচি প্রকাশ কুড়িগ্রাম-গাইবান্ধা-রংপুরে সুশাসন ও আইনশৃঙ্খলা জোরদারে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয়ের নির্দেশ সঙ্কটে প্রেসক্লাব যশোর;আহ্বায়ক,-সদস্য সচিবসহ তিন সদস্যের পদত্যাগ

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল হাইকোর্টে

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলাটির ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিলের শুনানি শেষে আজ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু আছিয়া। সেখানে সে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরবর্তী সময়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আছিয়ার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলাটি দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়। শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার প্রধান আসামি এবং শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

একই রায়ে মামলার অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবে মামলাটি হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষ থেকেও আপিল করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত জানান।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে ২ বিলিয়ন ডলারের বাজারের সম্ভাবনা

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল হাইকোর্টে

Update Time : ০৩:১৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলাটির ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিলের শুনানি শেষে আজ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু আছিয়া। সেখানে সে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরবর্তী সময়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আছিয়ার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলাটি দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়। শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার প্রধান আসামি এবং শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

একই রায়ে মামলার অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবে মামলাটি হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষ থেকেও আপিল করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত জানান।