ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
চকবাজারের মঞ্জুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে, টানা সাড়ে ১২ ঘণ্টা অভিযান নাগেশ্বরীতে আ.লীগ-জাতীয় পার্টির নেতাদের সার ডিলার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ দুর্গাপূজায় টানা ৮ দিন বন্ধ বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব খাগড়াছড়ির কৃষি ও হস্তশিল্পপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ইপিবির মতবিনিময় সভা সোমবার ইসি সভায় চূড়ান্ত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, হ্যাটট্রিক জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে যুবারা রমনায় শুরু ৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র জে-৩০, কাল চার ফাইনাল ফের নাকচ এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও প্লাটিনাম জব্দ

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল হাইকোর্টে

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলাটির ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিলের শুনানি শেষে আজ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু আছিয়া। সেখানে সে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরবর্তী সময়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আছিয়ার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলাটি দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়। শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার প্রধান আসামি এবং শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

একই রায়ে মামলার অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবে মামলাটি হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষ থেকেও আপিল করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত জানান।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

চকবাজারের মঞ্জুর খান প্লাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে, টানা সাড়ে ১২ ঘণ্টা অভিযান

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল হাইকোর্টে

Update Time : ০৩:১৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলাটির ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিলের শুনানি শেষে আজ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু আছিয়া। সেখানে সে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরবর্তী সময়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আছিয়ার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর দায়ের হওয়া মামলাটি দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়। শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার প্রধান আসামি এবং শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

একই রায়ে মামলার অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবে মামলাটি হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষ থেকেও আপিল করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত জানান।