বাংলাদেশের যেসব আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেসব এলাকায় সারের কোনো সংকট হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মীর শাহে আলম বলেন, সারা বাংলাদেশের যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে সারের কোনো সংকট হয়নি। সার নিয়ে কোনো আন্দোলনও হয়নি। একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে বিএনপিকে হেয়প্রতিপন্ন ও বিভ্রান্ত করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নেতাদের উসকানি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগসহ কুমিল্লা অঞ্চল, বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী, নাটোর ও নওগাঁ এলাকায় সারের কোনো সংকট হয়নি। এসব উদাহরণ তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, বিএনপিকে জনগণের কাছে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
কুড়িগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলাটিকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৭ সালের জুন মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করা হবে।
সারের সংকট প্রসঙ্গে কুড়িগ্রামসহ দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে মীর শাহে আলম বলেন, আগামী দিনগুলোতে সারের কোনো সংকট হবে না। সারের চাহিদার তুলনায় দেড় গুণেরও বেশি সার আমদানির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাফার গোডাউন ও সাধারণ গোডাউনগুলোতে আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর পর্যন্ত সার মজুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পান মীর শাহে আলম। দায়িত্ব পাওয়ার পর বুধবার প্রথমবারের মতো তিনি কুড়িগ্রাম সফরে আসেন। সফরের শুরুতে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহমুদুল হক চৌধুরী ডন এবং লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মমিনুল ইসলামসহ অনেকে।
মো: কাজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 









