ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া এফটিএ আলোচনা শুরু মঙ্গলবার, লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যে চুক্তি বিয়ে নিয়ে প্রশ্নে বিরক্ত সাফা কবির, জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন মানুষ চান? দুই দিনে এক কোটি ভিউ, অপূর্ব-নীহার ‘ভালো আছো তো?’ নাটকের নতুন রেকর্ড টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি: ১১তম অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, তদন্তে নতুন তথ্য টিআইএন আর প্রয়োজন নেই? যেসব শর্তে বাতিলের আবেদন করা যায় ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালু, মহানগর এক্সপ্রেসের রুট বর্ধিত ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের আশ্বাস এশিয়া কাপ আর্চারিতে স্বর্ণের লড়াইয়ে বাংলাদেশ, ফাইনালে দুই দল ঢাকায় আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন নিরাপত্তা সেমিনার শুরু, অংশ নিচ্ছে ২০ দেশের প্রতিনিধিরা
পিএসসির সঙ্গে আলোচনা চলছে, পদোন্নতির বিষয়টিও বিবেচনায়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের আশ্বাস

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার মাহুতুলি রেনেসাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে দ্রুত নিয়োগের বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে আলোচনা চলছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নেতৃত্ব আরও কার্যকর হবে।

তিনি জানান, দায়িত্ব পালনে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। বিদ্যমান নিয়োগবিধি ও পিএসসির প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও নতুন করে তৈরি হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মধ্যে লার্নিং টয়েস বা শিখন উপকরণ বিতরণ করেন। পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের শেখার দক্ষতা পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রাথমিক স্তরের মৌলিক শিখনদক্ষতা—ফাউন্ডেশনাল লিটারেসি অ্যান্ড নিউমারেসি (এফএলএন)—যাচাই করেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, শিখন উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে শিশুরা আনন্দের সঙ্গে বিভিন্ন ধারণা ও বিষয় সহজে বুঝতে পারছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো কোনো বিষয় বুঝতে বেশি সময় লাগলেও খেলনা ও হাতে-কলমে শেখার উপকরণ ব্যবহার করলে শিশুরা তুলনামূলক সহজে তা অনুধাবন করতে পারে। এতে শেখার প্রতি আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়ে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। প্রতিটি শিশু শ্রেণিকক্ষে কী শিখছে, নির্ধারিত শিখনফল অর্জন করতে পারছে কি না এবং শিক্ষকরা কতটা কার্যকরভাবে পাঠদান করছেন, তা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজিসহ মৌলিক শিখনদক্ষতার ঘাটতি চিহ্নিত করে আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে তা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া এফটিএ আলোচনা শুরু মঙ্গলবার, লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যে চুক্তি

পিএসসির সঙ্গে আলোচনা চলছে, পদোন্নতির বিষয়টিও বিবেচনায়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, দ্রুত নিয়োগের আশ্বাস

Update Time : ০৭:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার মাহুতুলি রেনেসাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে দ্রুত নিয়োগের বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে আলোচনা চলছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নেতৃত্ব আরও কার্যকর হবে।

তিনি জানান, দায়িত্ব পালনে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। বিদ্যমান নিয়োগবিধি ও পিএসসির প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও নতুন করে তৈরি হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মধ্যে লার্নিং টয়েস বা শিখন উপকরণ বিতরণ করেন। পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের শেখার দক্ষতা পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রাথমিক স্তরের মৌলিক শিখনদক্ষতা—ফাউন্ডেশনাল লিটারেসি অ্যান্ড নিউমারেসি (এফএলএন)—যাচাই করেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, শিখন উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে শিশুরা আনন্দের সঙ্গে বিভিন্ন ধারণা ও বিষয় সহজে বুঝতে পারছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো কোনো বিষয় বুঝতে বেশি সময় লাগলেও খেলনা ও হাতে-কলমে শেখার উপকরণ ব্যবহার করলে শিশুরা তুলনামূলক সহজে তা অনুধাবন করতে পারে। এতে শেখার প্রতি আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়ে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। প্রতিটি শিশু শ্রেণিকক্ষে কী শিখছে, নির্ধারিত শিখনফল অর্জন করতে পারছে কি না এবং শিক্ষকরা কতটা কার্যকরভাবে পাঠদান করছেন, তা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজিসহ মৌলিক শিখনদক্ষতার ঘাটতি চিহ্নিত করে আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে তা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।