ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ইতালির প্রলোভনে লিবিয়ায় নির্যাতন, ৫৬ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ফাইনালে ৪ রানের আক্ষেপ, রানার্সআপ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল দুর্নীতি প্রতিরোধে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ডেঙ্গুর এডিস মশা শনাক্ত করবে ঢাবির তৈরি স্মার্ট ফাঁদ ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৮১ ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ১২ হিলারি ক্লিনটনের হাত থেকে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেলেন ড. ইউনূস সৌদি আরবে হুতিদের হামলার নিন্দা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বললেন ট্রাম্প

গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ১২

গাম্বিয়ার উপকূল

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার গাম্বিয়া রেড ক্রস এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌকাটি ‘জিনাক কাজাতা’ গ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দ্বীপে অবস্থিত এই গ্রামটি স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী অভিবাসীদের অন্যতম যাত্রাপথ হিসেবে পরিচিত।

গাম্বিয়া রেড ক্রস সোসাইটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তীব্র সমুদ্রস্রোত, জরাজীর্ণ নৌযান এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে এ পথে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জিনাক কাজাতার উপকূলে অভিবাসীবাহী আরেকটি নৌকা ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় ৪০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং প্রায় ১০০ জন নিখোঁজ হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মরক্কো, মৌরিতানিয়া ও সেনেগালের উপকূলে সাম্প্রতিক সময়ে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় কিছু অভিবাসী আরও দক্ষিণের পথ বেছে নিচ্ছেন। এতে সমুদ্রযাত্রার দূরত্ব বাড়ার পাশাপাশি ঝুঁকিও বেড়েছে।

দারিদ্র্য, সংঘাত ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে ইউরোপে আশ্রয়প্রত্যাশীদের জন্য স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। এ ছাড়া ইতালি ও গ্রিসের দিকে ভূমধ্যসাগরীয় পথও অভিবাসীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে ৪৬ হাজারের বেশি অভিবাসী পৌঁছেছিলেন, যা ওই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল। তবে অভিবাসীদের আগমন কমাতে স্পেনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের পর সাম্প্রতিক সময়ে এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

গাম্বিয়ার নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা ও দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়ার অপেক্ষা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ, অভিবাসন ও বিশ্ব পরিস্থিতির সর্বশেষ খবর পড়ুন তথ্য প্রকাশ ওয়েবসাইটে।

সূত্র: বার্তা সংস্থা এএফপি

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালির প্রলোভনে লিবিয়ায় নির্যাতন, ৫৬ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ১২

Update Time : ০৪:০৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার গাম্বিয়া রেড ক্রস এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌকাটি ‘জিনাক কাজাতা’ গ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দ্বীপে অবস্থিত এই গ্রামটি স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী অভিবাসীদের অন্যতম যাত্রাপথ হিসেবে পরিচিত।

গাম্বিয়া রেড ক্রস সোসাইটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তীব্র সমুদ্রস্রোত, জরাজীর্ণ নৌযান এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে এ পথে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জিনাক কাজাতার উপকূলে অভিবাসীবাহী আরেকটি নৌকা ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় ৪০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং প্রায় ১০০ জন নিখোঁজ হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মরক্কো, মৌরিতানিয়া ও সেনেগালের উপকূলে সাম্প্রতিক সময়ে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় কিছু অভিবাসী আরও দক্ষিণের পথ বেছে নিচ্ছেন। এতে সমুদ্রযাত্রার দূরত্ব বাড়ার পাশাপাশি ঝুঁকিও বেড়েছে।

দারিদ্র্য, সংঘাত ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে ইউরোপে আশ্রয়প্রত্যাশীদের জন্য স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। এ ছাড়া ইতালি ও গ্রিসের দিকে ভূমধ্যসাগরীয় পথও অভিবাসীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে ৪৬ হাজারের বেশি অভিবাসী পৌঁছেছিলেন, যা ওই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল। তবে অভিবাসীদের আগমন কমাতে স্পেনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের পর সাম্প্রতিক সময়ে এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

গাম্বিয়ার নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা ও দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়ার অপেক্ষা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ, অভিবাসন ও বিশ্ব পরিস্থিতির সর্বশেষ খবর পড়ুন তথ্য প্রকাশ ওয়েবসাইটে।

সূত্র: বার্তা সংস্থা এএফপি