ভেনেজুয়েলায় শুক্রবার রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে বিবেচিত আরও ১৩১ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করার পর দেশটিতে জাতীয় পুনর্গঠন ও পুনর্মিলনের লক্ষ্যে চলমান আলোচনায় এই বন্দি মুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, ‘শান্তি ও গণতান্ত্রিক সহাবস্থান কর্মসূচির’ আওতায় এসব বন্দিকে কারাগারে না রেখে বিকল্প ব্যবস্থায় থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
রাজধানী কারাকাসের কাছে এল রোদেও-১ কারাগারের বাইরে এএফপির সাংবাদিকেরা মুক্তিপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্যদের আবেগঘন পুনর্মিলনের দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন। কয়েকজন স্বজন মাসের পর মাস প্রিয়জনের মুক্তির অপেক্ষায় কারাগারের বাইরে অবস্থান করছিলেন।
রুথ মোলেরোর ছেলে ও ভাগনে শুক্রবারও কারাগারে ছিলেন। তিনি জানান, বন্দিদের মুক্তির বিষয়টি তাদের কাছে ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। তাঁর ভাষায়, হঠাৎ কারারক্ষীদের বাঁশির শব্দ শোনার পর তিনি দেখতে পান, একদল তরুণ কারাগার থেকে বের হয়ে আসছেন।
সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যরা না থাকলেও মোলেরো আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই তারাও মুক্তি পাবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবারের বন্দি মুক্তিকে ভেনেজুয়েলার পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, গত ৩ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৬ জন ভেনেজুয়েলীয়কে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে কাজ করা মানবাধিকার সংগঠন ফোরো পেনালের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছয়জন নারী রয়েছেন। তাঁদের একজনের বিরুদ্ধে মাদুরোকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল।
নিউজ ডেস্ক 

















