ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ইশরাকের অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান ‘খামখেয়ালি পদক্ষেপ’: নিলোফার মনি চার দিনেই ৪২৪ কোটি রুপি আয় রজনীকান্তের ‘জেলার ২’-এর! ভারতকে ২৭-০ গোলে উড়িয়ে স্কুল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বেনিন ‘আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেবে না জনগণ’: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর লাগেজ চুরি, চাঁদপুর থেকে জসিম গ্রেপ্তার সরকারকে পাঁচ বছর কাজের সুযোগ দিতে হবে, ব্যর্থ হলে ভোটেই জবাব দেবে জনগণ: চিফ হুইপ চট্টগ্রামে ট্রাক থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক চালক ক্রিকেটারদের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রস্তুতিতে নতুন পরিকল্পনা বিসিবির ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও বিশেষায়িত পণ্যে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক যশোরের শার্শায় ৪ কোটি টাকার সোনার বার জব্দ, গ্রেপ্তার ১

১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও বিশেষায়িত পণ্যে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক

দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্য ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক হচ্ছে। একই সঙ্গে প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় ছোট খাবারের দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, খাদ্য উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানও আসবে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রণীত ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’-এর মাধ্যমে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গত ১৬ জুলাই সরকারি গেজেটে প্রবিধানমালাটি প্রকাশিত হয়। নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসায়ীদের ১ নভেম্বর থেকে প্রযোজ্য নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে।

 

নতুন বিধান অনুযায়ী, রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি-পেঁয়াজুর দোকান, রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান, দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনকারী, প্যাকেটজাত খাবার প্রস্তুতকারী, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজের মতো ব্যবসা এ ব্যবস্থার আওতায় আসবে। পাশাপাশি নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীদেরও প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

প্রবিধানমালায় চিহ্নিত ১৬ শ্রেণির প্রচলিত খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনা ফিতে করা যাবে। তবে ব্যবসার ধরন ও কার্যক্রম অনুযায়ী বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ, আমদানি ও বিপণনের জন্য আলাদা লাইসেন্স বা অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।

কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করলে তা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

পণ্যের প্যাকেটে থাকতে হবে নিবন্ধন নম্বর

নতুন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করা। এর ফলে পণ্যটির উৎপাদক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করা সহজ হবে। কোনো পণ্য নিয়ে অভিযোগ দেখা দিলে ভোক্তারা নম্বরটির সাহায্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

তবে শুধু নিবন্ধন নম্বর থাকলেই কোনো খাদ্যপণ্য নিরাপদ—এমন নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে না। পণ্যের মান, উৎপাদনপ্রক্রিয়া, সংরক্ষণ ও বিপণনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য নিরাপদ খাদ্যবিধিও মেনে চলতে হবে।

বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যে লাগবে পৃথক অনুমোদন

শিশুদের ফর্মুলা দুধ, বয়স্ক ব্যক্তি ও নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য তৈরি বিশেষ খাদ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালের ক্ষেত্রে ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লাইসেন্স নিতে হবে।

এ ছাড়া জিনগতভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ বা ফোর্টিফায়েড খাদ্য এবং স্বাস্থ্যগত উপকারিতা কিংবা রোগের ঝুঁকি কমানোর দাবি করা পণ্যের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

এসব পণ্যের ক্ষেত্রে শুধু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন যথেষ্ট নাও হতে পারে। পণ্যের শ্রেণি, উৎপাদন বা প্রক্রিয়াকরণের ধরন এবং বিপণন কার্যক্রমের ভিত্তিতে অতিরিক্ত অনুমোদন নিতে হবে।

 

প্রবিধানমালায় প্রতিষ্ঠানের আয়তন অনুযায়ী প্রিমিসেস লাইসেন্সের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স ফি ৬০ হাজার টাকা।

তবে সব ধরনের খাদ্য ব্যবসার জন্য একই ফি প্রযোজ্য নয়। ব্যবসায়ীদের আবেদন করার আগে প্রবিধানমালার তফসিল-১০-এ দেওয়া ফি এবং নিজ নিজ ব্যবসার জন্য নির্ধারিত শর্ত যাচাই করতে হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন করা যাবে। পর্যায়ক্রমে শতভাগ অনলাইন আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থাও চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়মে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে নবায়ন করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো খাদ্য ব্যবসাকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনা, উৎপাদন ও বিপণনে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে দায়ী প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করা সহজ করা। একই সঙ্গে খাদ্যপণ্য নিয়ে অভিযোগ উত্থাপন ও প্রতিকার চাওয়ার ক্ষেত্রেও ভোক্তারা বাড়তি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার আগে খাদ্য ব্যবসায়ীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, প্রযোজ্য ফি এবং লাইসেন্সের শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এতে সময়মতো নিবন্ধন সম্পন্ন করা এবং বিধিবিধান লঙ্ঘনের ঝুঁকি এড়ানো সহজ হবে।

আরও পড়ুন: নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকারবিষয়ক প্রতিবেদন | খাদ্য ও ব্যবসাবিষয়ক সর্বশেষ খবর

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

ইশরাকের অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান ‘খামখেয়ালি পদক্ষেপ’: নিলোফার মনি

১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও বিশেষায়িত পণ্যে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক

Update Time : ০৫:০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্য ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক হচ্ছে। একই সঙ্গে প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় ছোট খাবারের দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, খাদ্য উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানও আসবে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রণীত ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’-এর মাধ্যমে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গত ১৬ জুলাই সরকারি গেজেটে প্রবিধানমালাটি প্রকাশিত হয়। নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসায়ীদের ১ নভেম্বর থেকে প্রযোজ্য নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে।

 

নতুন বিধান অনুযায়ী, রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি-পেঁয়াজুর দোকান, রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান, দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনকারী, প্যাকেটজাত খাবার প্রস্তুতকারী, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজের মতো ব্যবসা এ ব্যবস্থার আওতায় আসবে। পাশাপাশি নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীদেরও প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

প্রবিধানমালায় চিহ্নিত ১৬ শ্রেণির প্রচলিত খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনা ফিতে করা যাবে। তবে ব্যবসার ধরন ও কার্যক্রম অনুযায়ী বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ, আমদানি ও বিপণনের জন্য আলাদা লাইসেন্স বা অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।

কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করলে তা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

পণ্যের প্যাকেটে থাকতে হবে নিবন্ধন নম্বর

নতুন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করা। এর ফলে পণ্যটির উৎপাদক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করা সহজ হবে। কোনো পণ্য নিয়ে অভিযোগ দেখা দিলে ভোক্তারা নম্বরটির সাহায্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

তবে শুধু নিবন্ধন নম্বর থাকলেই কোনো খাদ্যপণ্য নিরাপদ—এমন নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে না। পণ্যের মান, উৎপাদনপ্রক্রিয়া, সংরক্ষণ ও বিপণনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য নিরাপদ খাদ্যবিধিও মেনে চলতে হবে।

বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যে লাগবে পৃথক অনুমোদন

শিশুদের ফর্মুলা দুধ, বয়স্ক ব্যক্তি ও নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য তৈরি বিশেষ খাদ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালের ক্ষেত্রে ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লাইসেন্স নিতে হবে।

এ ছাড়া জিনগতভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ বা ফোর্টিফায়েড খাদ্য এবং স্বাস্থ্যগত উপকারিতা কিংবা রোগের ঝুঁকি কমানোর দাবি করা পণ্যের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

এসব পণ্যের ক্ষেত্রে শুধু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন যথেষ্ট নাও হতে পারে। পণ্যের শ্রেণি, উৎপাদন বা প্রক্রিয়াকরণের ধরন এবং বিপণন কার্যক্রমের ভিত্তিতে অতিরিক্ত অনুমোদন নিতে হবে।

 

প্রবিধানমালায় প্রতিষ্ঠানের আয়তন অনুযায়ী প্রিমিসেস লাইসেন্সের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স ফি ৬০ হাজার টাকা।

তবে সব ধরনের খাদ্য ব্যবসার জন্য একই ফি প্রযোজ্য নয়। ব্যবসায়ীদের আবেদন করার আগে প্রবিধানমালার তফসিল-১০-এ দেওয়া ফি এবং নিজ নিজ ব্যবসার জন্য নির্ধারিত শর্ত যাচাই করতে হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন করা যাবে। পর্যায়ক্রমে শতভাগ অনলাইন আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থাও চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়মে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে নবায়ন করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো খাদ্য ব্যবসাকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনা, উৎপাদন ও বিপণনে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে দায়ী প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করা সহজ করা। একই সঙ্গে খাদ্যপণ্য নিয়ে অভিযোগ উত্থাপন ও প্রতিকার চাওয়ার ক্ষেত্রেও ভোক্তারা বাড়তি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার আগে খাদ্য ব্যবসায়ীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, প্রযোজ্য ফি এবং লাইসেন্সের শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এতে সময়মতো নিবন্ধন সম্পন্ন করা এবং বিধিবিধান লঙ্ঘনের ঝুঁকি এড়ানো সহজ হবে।

আরও পড়ুন: নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকারবিষয়ক প্রতিবেদন | খাদ্য ও ব্যবসাবিষয়ক সর্বশেষ খবর