২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর সম্ভাব্য আয়োজক শহর ও স্টেডিয়াম পরিদর্শন করবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। মঙ্গলবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফিফার একটি প্রতিনিধি দল তিন দেশের প্রস্তাবিত ভেন্যুগুলো পরিদর্শন করে বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের উপযোগিতা যাচাই করবে। স্টেডিয়াম ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো মূল্যায়নের মাধ্যমে সম্ভাব্য আয়োজক ভেন্যু চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
পরিদর্শনের জন্য কোন কোন ভেন্যু চূড়ান্ত করা হয়েছে, তা এখনো জানায়নি ফিফা। একই সঙ্গে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়েও কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। ফাইনাল আয়োজনের সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে স্পেন ও মরক্কোর নাম আলোচনায় রয়েছে।
পরিকল্পিত তালিকা অনুযায়ী, মরক্কোর আগাদির, কাসাব্লাঙ্কা, ফেজ, মারাকেশ, রাবাত ও ট্যাঞ্জিয়ার; পর্তুগালের লিসবন ও পোর্তো এবং স্পেনের বার্সেলোনা, বিলবাও, লাস পালমাস, মাদ্রিদ, সান সেবাস্তিয়ান, সেভিয়া ও জারাগোজা পরিদর্শন করা হতে পারে। এ তালিকার বাইরেও আরও কিছু স্থান পরিদর্শনের সম্ভাবনা রয়েছে।
ফিফা জানিয়েছে, চূড়ান্ত আয়োজক শহরের তালিকা নিশ্চিত হওয়ার পর এবং টুর্নামেন্টের সূচি তৈরির কাজ এগিয়ে গেলে প্রতিটি ভেন্যুতে কতটি ও কী ধরনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, তা নির্ধারণ করা হবে।
শতবর্ষে ব্যতিক্রমী বিশ্বকাপ
২০৩০ বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে। বিশ্বকাপের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে টুর্নামেন্টের প্রথম তিনটি ম্যাচ আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বকাপের প্রথম আসর।
মূল টুর্নামেন্টের আয়োজক হিসেবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর প্রস্তুতির পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশে ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা ২০৩০ বিশ্বকাপকে বিশেষ মাত্রা দেবে। তবে চূড়ান্ত ভেন্যু ও ম্যাচ বণ্টনের বিষয়ে ফিফার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
খেলাধুলা ডেস্ক 


















