ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমোদন ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীনের বড় জয় ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৮৮৬ ছাতকে গ্রামপুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল, পোশাক ও সরঞ্জাম বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ১৬ জনকে ধাত্রীবিদ্যা প্রশিক্ষণ, পেলেন সনদ ও চিকিৎসাসামগ্রী দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সততা-জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের মেসির ১০ নম্বর জার্সি আলভারেজকে দিতে চান আর্জেন্টিনা অধিনায়ক রোমেরো জনগণের আস্থা অর্জন করে ‘জনগণের পুলিশ’ হতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ হাজার ভোটারের ব্যালট বাতিলের আবেদন খারিজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ১৬ জনকে ধাত্রীবিদ্যা প্রশিক্ষণ, পেলেন সনদ ও চিকিৎসাসামগ্রী

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বান্দরবানে তিন সপ্তাহব্যাপী ধাত্রীবিদ্যা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ১৬ জন নারীকে সনদপত্র ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া হয়েছে।

আজ বান্দরবান ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স প্রাঙ্গণে এ প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বান্দরবান সেনা রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে এবং ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাপনায় ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী। প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র ও চিকিৎসাসামগ্রী তুলে দেন ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সরফরাজ হায়দার।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান সেনা রিজিয়নের অধীন বিভিন্ন পাড়া থেকে নির্বাচিত ১৬ জন প্রশিক্ষণার্থী তিন সপ্তাহের নিবিড় প্রশিক্ষণে অংশ নেন। এ সময় তাঁদের নিরাপদ প্রসব পরিচালনা, গর্ভকালীন ও প্রসবোত্তর পরিচর্যা, নবজাতকের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আয়োজকেরা জানান, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারীরা দুর্গম পাহাড়ি জনপদে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ভূমিকা রাখতে পারবেন। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁদের প্রশিক্ষণ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাহাড়ি এলাকার অনেক স্থানে দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা ও দূরত্বের কারণে সময়মতো স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রাথমিক পরিচর্যা ও জরুরি অবস্থায় দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা করা মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

প্রশিক্ষণার্থীরা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজ নিজ এলাকার গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

এ ধরনের উদ্যোগের পাশাপাশি জটিল প্রসব ও নবজাতকের গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মী ও উপযুক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছানোর ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিবেদন | বান্দরবানবিষয়ক প্রতিবেদন | জাতীয় সংবাদ

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমোদন

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ১৬ জনকে ধাত্রীবিদ্যা প্রশিক্ষণ, পেলেন সনদ ও চিকিৎসাসামগ্রী

Update Time : ০৩:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বান্দরবানে তিন সপ্তাহব্যাপী ধাত্রীবিদ্যা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ১৬ জন নারীকে সনদপত্র ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া হয়েছে।

আজ বান্দরবান ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স প্রাঙ্গণে এ প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বান্দরবান সেনা রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে এবং ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাপনায় ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী। প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র ও চিকিৎসাসামগ্রী তুলে দেন ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সরফরাজ হায়দার।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান সেনা রিজিয়নের অধীন বিভিন্ন পাড়া থেকে নির্বাচিত ১৬ জন প্রশিক্ষণার্থী তিন সপ্তাহের নিবিড় প্রশিক্ষণে অংশ নেন। এ সময় তাঁদের নিরাপদ প্রসব পরিচালনা, গর্ভকালীন ও প্রসবোত্তর পরিচর্যা, নবজাতকের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আয়োজকেরা জানান, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারীরা দুর্গম পাহাড়ি জনপদে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ভূমিকা রাখতে পারবেন। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁদের প্রশিক্ষণ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাহাড়ি এলাকার অনেক স্থানে দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা ও দূরত্বের কারণে সময়মতো স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রাথমিক পরিচর্যা ও জরুরি অবস্থায় দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা করা মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

প্রশিক্ষণার্থীরা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজ নিজ এলাকার গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

এ ধরনের উদ্যোগের পাশাপাশি জটিল প্রসব ও নবজাতকের গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মী ও উপযুক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছানোর ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিবেদন | বান্দরবানবিষয়ক প্রতিবেদন | জাতীয় সংবাদ