ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ ভানুয়াতুর উপকূলে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি ৩০ অক্টোবর থেকে নর্থ বেঙ্গল চিনিকলে আখ মাড়াই শুরু, লক্ষ্যমাত্রা ১১ হাজার ৭০০ টন চিনি উৎপাদন বেনাপোল-যশোর মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ ‘তিনি আমার লাকি চার্ম’, বিজয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সামান্থা চুমুর দৃশ্যে সহ-অভিনেতার আচরণে অস্বস্তি, তিক্ত অভিজ্ঞতা জানালেন অনুপ্রিয়া বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ সাপ্তাহিক দরপতনের শঙ্কা নাহিদ-আখতারের নেতৃত্বাধীন এনসিপির নতুন কমিটি নিয়ে মুখ খুললেন রাশেদ খান এনসিপির ১৯৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন, আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম যশোরে ৫০ পিস ইয়াবাসহ আইনজীবীর সহকারী পরিচয়দানকারী মাসুদ ও লাবনী আটক

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে শুকুর আলী (৫০) নামে এক পঞ্চাশোর্ধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত শুকুর আলী উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ছয় সন্তানের জনক বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণীর জানায়, প্রায় চার মাস আগে তিনি শুকুর আলীর বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করতে যান। একপর্যায়ে শুকুর আলী ওই তুরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি ওই তরুণীকে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এর একপর্যায়ে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি শুকুর আলীকে জানালে তিনি গর্ভপাতের প্রস্তাব দেয়। পরে বিয়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কুড়িগ্রামের একটি ক্লিনিকে এনে তার গর্ভপাত করানো হয়।
তবে ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগ, গর্ভপাতের পরেও তিনি বিয়ে করেননি। বিয়ের কথা বলতে গেলে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিলেন শুরুর আলী। এরপর সর্বশেষ ১ অক্টোবর সকালে ওই তরুণী বিয়ের দাবিতে শুকুর আলীর বাড়িতে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুকুর আলী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ সময়ে স্থানীয় কয়েকজন লোক ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি ভুক্তভোগী তরুণীর।
স্থানীয়রা জানায়, বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের পর যখন ওই তরুণী শুকুর আলীকে বিয়ে বিষয়ে চাপ দিতেন। তখন তাকে ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি এখনো।
স্থানীয়দের দাবি, অসহায় পরিবারের মেয়ে ওই তরুণী। তার বাবা মারা গেছেন এবং ভাই প্রতিবন্ধী ও তার মা বৃদ্ধ। অভাবের কারণে বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন ভুক্তভোগীর পরিবার। বিয়ষটি নিয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনগতভাবে উপযুক্ত বিচারের ব্যবস্থা করা দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ঘটনার বিষয়ে জানতে শুকুর আলীর সাথে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কমল বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই। ওসি স্যার ছুটিতে আসেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

Update Time : ১২:০৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে শুকুর আলী (৫০) নামে এক পঞ্চাশোর্ধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত শুকুর আলী উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ছয় সন্তানের জনক বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী তরুণীর জানায়, প্রায় চার মাস আগে তিনি শুকুর আলীর বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করতে যান। একপর্যায়ে শুকুর আলী ওই তুরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি ওই তরুণীকে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এর একপর্যায়ে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি শুকুর আলীকে জানালে তিনি গর্ভপাতের প্রস্তাব দেয়। পরে বিয়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কুড়িগ্রামের একটি ক্লিনিকে এনে তার গর্ভপাত করানো হয়।
তবে ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগ, গর্ভপাতের পরেও তিনি বিয়ে করেননি। বিয়ের কথা বলতে গেলে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিলেন শুরুর আলী। এরপর সর্বশেষ ১ অক্টোবর সকালে ওই তরুণী বিয়ের দাবিতে শুকুর আলীর বাড়িতে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুকুর আলী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ সময়ে স্থানীয় কয়েকজন লোক ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি ভুক্তভোগী তরুণীর।
স্থানীয়রা জানায়, বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের পর যখন ওই তরুণী শুকুর আলীকে বিয়ে বিষয়ে চাপ দিতেন। তখন তাকে ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি এখনো।
স্থানীয়দের দাবি, অসহায় পরিবারের মেয়ে ওই তরুণী। তার বাবা মারা গেছেন এবং ভাই প্রতিবন্ধী ও তার মা বৃদ্ধ। অভাবের কারণে বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন ভুক্তভোগীর পরিবার। বিয়ষটি নিয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনগতভাবে উপযুক্ত বিচারের ব্যবস্থা করা দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ঘটনার বিষয়ে জানতে শুকুর আলীর সাথে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কমল বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই। ওসি স্যার ছুটিতে আসেন।