তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। তবে এ সরকার গঠনের প্রক্রিয়া, কার্যপরিধি ও সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়গুলো এখনো পর্যালোচনা করছে বিশেষ কমিটি।
বুধবার জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি নিয়ে পর্যালোচনা
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী প্রক্রিয়ায় গঠন করা হবে, এর কর্মপরিধি কী হবে এবং কত দিনের মধ্যে সরকার গঠন করতে হবে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সার্চ বডি অথবা নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে সরকার গঠন করা হলে বিতর্কের অবকাশ থাকবে কি না, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সব বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সংশ্লিষ্ট বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হলে বিতর্ক ও আলোচনার সময় আরও পরামর্শ এবং প্রস্তাব আসতে পারে।
বিভিন্ন মহলের মতামত পেয়েছে বিশেষ কমিটি
বিশেষ কমিটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বিশিষ্ট আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধি, শিক্ষক সমাজ এবং সম্পাদকমণ্ডলীর কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব ও পরামর্শ পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন পর্যায়ের বৈঠকেও সংবিধান সংশোধন নিয়ে নানা মতামত উঠে এসেছে। এসব প্রস্তাব একত্র করে বিশেষ কমিটির বৈঠকে আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণের বিষয়ে পাওয়া প্রস্তাব সম্পর্কে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সব ধরনের প্রস্তাব একত্র করে পরবর্তী সময়ে কমিটির প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পক্ষের মতামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কাঠামো এবং ক্ষমতার পরিধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি বিশেষ কমিটি।
নিজস্ব প্রতিবেদক | তথ্য প্রকাশ 


















