বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে পাঁচ দিনব্যাপী যৌথ সামুদ্রিক মহড়ায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর মাইন প্রতিরোধী জাহাজ ইউএসএস ওয়ারিয়র (এমসিএম-১০)। দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার এবং আঞ্চলিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।
ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘কো-অপারেশন অ্যাফ্লোট রেডিনেস অ্যান্ড ট্রেনিং (ক্যারাট) বাংলাদেশ ২০২৬’ শীর্ষক যৌথ মহড়া আগামী ২ থেকে ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন জাহাজটি পৌঁছালে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে মেজর কার্স্টেন ফ্লেচার জাহাজটির কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানান।
মহড়ায় ইউএসএস ওয়ারিয়রের অংশগ্রহণ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের সামুদ্রিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মার্কিন দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ক্যারাট বাংলাদেশ ২০২৬-এর মাধ্যমে আঞ্চলিক সামুদ্রিক নিরাপত্তার অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।
এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য হলো দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দূতাবাস আরও জানায়, বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ গুরুত্ব দেয়। যৌথ এ মহড়া অভিন্ন সামুদ্রিক নিরাপত্তার লক্ষ্য অর্জনে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ।
ক্যারাট বাংলাদেশ ২০২৬-এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের যৌথ মহড়া সামুদ্রিক নিরাপত্তার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের নৌবাহিনীর সমন্বিত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি 















