ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
সাইবার অপরাধ ঠেকাতে পুলিশের বিশেষ ইউনিট, উচ্চতর প্রশিক্ষণে জোর রাজৈরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে অনলাইন স্ক্যামিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশির ২ দিনের রিমান্ড ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু মেইল-ইন ভোট সীমিত করার ট্রাম্পের উদ্যোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা ময়মনসিংহ মেডিকেলে লিফটে আগুন; ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টে দুই বিচারপতির প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, নির্বাচনের আগে তীব্র সংকট বাগেরহাটে স্কিল ইনস্টিটিউট পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দল হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় সৌদি আরবে ১৩ বেসামরিক আহত আগাম সতর্কতা ছিল, তবু ফিলিপসকে ঠেকাতে ব্যর্থ নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ

মাদারীপুরে থানা থেকে পালানো নারী আসামি হাসিনা বেগম কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী হেফাজতকক্ষ থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে (৩৫) ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মাদারীপুর সদর মডেল থানার আওতাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান হাসিনা বেগমকে আটক করেন। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

 

তবে মাদারীপুর সদর মডেল থানার মূল ভবন নির্মাণাধীন থাকায় বর্তমানে ওসির সরকারি বাসভবনের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে আসামিদের জন্য নির্ধারিত হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল হাসিনাকে।

 

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান হাসিনা বেগম। ঘটনার পরপরই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে প্রযুক্তিগত সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়।

 

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর হাসিনা বেগমকে মাদারীপুরে নিয়ে আসা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার অপরাধ ঠেকাতে পুলিশের বিশেষ ইউনিট, উচ্চতর প্রশিক্ষণে জোর

মাদারীপুরে থানা থেকে পালানো নারী আসামি হাসিনা বেগম কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

Update Time : ১১:০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী হেফাজতকক্ষ থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে (৩৫) ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মাদারীপুর সদর মডেল থানার আওতাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান হাসিনা বেগমকে আটক করেন। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

 

তবে মাদারীপুর সদর মডেল থানার মূল ভবন নির্মাণাধীন থাকায় বর্তমানে ওসির সরকারি বাসভবনের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে আসামিদের জন্য নির্ধারিত হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল হাসিনাকে।

 

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান হাসিনা বেগম। ঘটনার পরপরই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে প্রযুক্তিগত সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়।

 

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর হাসিনা বেগমকে মাদারীপুরে নিয়ে আসা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেবে।