ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
হত্যা ও মানবপাচার মামলার আসামি মুকিম ঢাকায় গ্রেপ্তার জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০২৬ উদযাপন সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় কুড়িগ্রামে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে ডিবির অভিযানে দেশীয় তৈরি এলজি ও কার্তুজসহ গ্রেপ্তার ১ ঢাবির জগন্নাথ হল থেকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর ইতালির ক্যাপ্রিতে প্রেমিকাকে বাগদানের প্রস্তাব, বিয়ে করছেন অর্চনা পুরাণ সিংয়ের ছেলে মুক্তির আগেই ১৭৫ কোটি রুপির রেকর্ড গড়ল শাহরুখের ‘কিং’ অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও পড়াশোনায় সেরা, হিমির সাফল্যের গল্প এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে ৩২৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ চাইল শিক্ষা মন্ত্রণালয় পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশ সরকারের

মাদারীপুরে থানা থেকে পালানো নারী আসামি হাসিনা বেগম কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী হেফাজতকক্ষ থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে (৩৫) ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মাদারীপুর সদর মডেল থানার আওতাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান হাসিনা বেগমকে আটক করেন। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

 

তবে মাদারীপুর সদর মডেল থানার মূল ভবন নির্মাণাধীন থাকায় বর্তমানে ওসির সরকারি বাসভবনের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে আসামিদের জন্য নির্ধারিত হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল হাসিনাকে।

 

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান হাসিনা বেগম। ঘটনার পরপরই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে প্রযুক্তিগত সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়।

 

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর হাসিনা বেগমকে মাদারীপুরে নিয়ে আসা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা ও মানবপাচার মামলার আসামি মুকিম ঢাকায় গ্রেপ্তার

মাদারীপুরে থানা থেকে পালানো নারী আসামি হাসিনা বেগম কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

Update Time : ১১:০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী হেফাজতকক্ষ থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে (৩৫) ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মাদারীপুর সদর মডেল থানার আওতাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান হাসিনা বেগমকে আটক করেন। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

 

তবে মাদারীপুর সদর মডেল থানার মূল ভবন নির্মাণাধীন থাকায় বর্তমানে ওসির সরকারি বাসভবনের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে আসামিদের জন্য নির্ধারিত হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল হাসিনাকে।

 

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান হাসিনা বেগম। ঘটনার পরপরই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে প্রযুক্তিগত সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়।

 

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর হাসিনা বেগমকে মাদারীপুরে নিয়ে আসা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেবে।