কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সংঘটিত একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি মুন্টু হোসেনকে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর মুন্টু হোসেন বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে তিনি রাজৈর উপজেলায় তার শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে কুষ্টিয়া পুলিশের একটি দল রাজৈর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় মুন্টু হোসেন বাড়ির উঠানে রাখা একটি ধানের গোলার ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সামিরুল নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় মুন্টু হোসেনকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মামলার তদন্তে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, হত্যার পর মুন্টু প্রথমে অন্য কয়েকটি স্থানে অবস্থান নেন। পরে নতুন মোবাইল সিম ব্যবহার করে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় রাজৈর এলাকায়ও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, অপরাধ করে কেউ দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব।
মাদারীপুর প্রতিনিধি 


















