বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য ইন্দোনেশিয়ায় ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা নিশ্চিত করতে দেশটির সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পর্যটন, আতিথেয়তা ও বিমান চলাচল খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতির সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে একটি আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয় গন্তব্য। দেশটিতে ভ্রমণকারী বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
জবাবে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা সহজতর করার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এ সুবিধা বহাল রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
বৈঠকে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে যৌথভাবে কাজ করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে ইন্দোনেশিয়ার অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা কাজে লাগানোর আগ্রহের কথা জানান রাষ্ট্রদূত।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, দেশের পর্যটন খাতকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করে তুলতে ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) ইউনিট স্থাপনের বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।
বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতের দক্ষতা উন্নয়নে ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের আগ্রহও প্রকাশ করেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত।
দুই দেশের আলোচনায় পর্যটন, আতিথেয়তা ও বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার ভিসা সুবিধা আরও সহজ করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
নিউজ ডেস্ক 

















