দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার রাতে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এখন দেশের উন্নয়ন ও জাতির ভবিষ্যৎ গড়ার সময়। দেশের বিপুল জনশক্তিকে উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে। জনগণের শ্রম ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জনগণের উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী মানুষের প্রতি তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে চায় কিংবা জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে, তাদের বিষয়ে দেশের মানুষকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের অগ্রযাত্রায় কোনো ধরনের বাধা মেনে না নেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তার ভাষায়, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের পথে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, তাদের রুখে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কাজের মাধ্যমে দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি হলো জনগণই সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণ বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে এবং দলটির ৩১ দফার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে—এ দাবি তুলে তিনি বলেন, ৩১ দফা বাস্তবায়নকে সরকার ও দলের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং ৩১ দফা বাস্তবায়নে সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে বিএনপি দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে। মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও দেশের ভাগ্য পরিবর্তনই হবে তাদের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

















