বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে। সোমবার সচিবালয়ে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার পরিকল্পনাকে সামনে রেখেই আলোচনাটি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আর্থিক খাতের সুশাসন, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন এবং কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর উদ্যোগকে আইএমএফ ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছে। তবে এসব সংস্কার একসঙ্গে নয়, দেশের বাস্তবতা বিবেচনায় ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।
বৈঠকে সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচির কাঠামো, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রাজস্ব আহরণ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকি, আর্থিক খাতের সুশাসন এবং সামষ্টিক অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সরকারের মতে, নতুন কর্মসূচির লক্ষ্য হবে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সংস্কার কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নেওয়া।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও ঋণের পরিমাণ বা অনুমোদনের সম্ভাব্য সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী মাসগুলোতে আইএমএফের সঙ্গে আরও কারিগরি ও নীতিগত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন ঋণ কর্মসূচি চূড়ান্ত হলে তা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আর্থিক খাতের সংস্কার ত্বরান্বিত করা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে এর সঙ্গে যুক্ত নীতিগত সংস্কার বাস্তবায়নও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
নিউজ ডেস্ক 


















