ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, বললেন ‘এটি স্বাভাবিক সাংগঠনিক প্রক্রিয়া’ আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ নিয়ে আলোচনা শুরু, অর্থনৈতিক সংস্কারে জোর বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তায় এআই ব্যবহারে নতুন উদ্যোগ, হুমকি মোকাবিলায় বাড়ছে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ও কূটনৈতিক তৎপরতা; নজরে মধ্যপ্রাচ্য, অর্থনীতি ও বিশ্বকাপ বন্যা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ভারী বৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধ চট্টগ্রাম, ভোগান্তিতে নগরবাসী আনোয়ারা উপকূলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার রাজৈরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন, সম্মাননা পেলেন সেরা স্বাস্থ্যকর্মীরা সেমিফাইনালের লাইনআপ চূড়ান্ত, শিরোপার লড়াইয়ে চার পরাশক্তি

ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলো দুই নারী

ভারতে পাচার হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার হরিদাসপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে তাদের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফেরত আসারা হলেন, বাগেরহাট জেলার শর খোলা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া নলবুনিয়া গ্রামের মৃত আলী হোসাইন খানের মেয়ে হ্যাপি খান ওরফে আশা খানম (৪৩) ও একই এলাকার কাঞ্চন হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া হাওলাদার ওরফে মারিয়া খান (২৬)।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ভাল কাজের প্রলোভনে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তের চোরাপথে ভারতে গিয়ে নয়াদিল্লীতে বাসা বাড়িতে কাজ করতেন। তারা ২০২৩ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে পাচার হন। পরে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর দিল্লী পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে দিলে আদালত তাদের পাঁচ মাসের সাজা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ জেলার দমদম কারাগারে পাঠায়। সেখানে পাঁচ মাস থাকার পর ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থার আবেদনে তাদের পশ্চিমবঙ্গের একটি হোমে রাখা হয়।
ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ভারতের কলকাতা উপ হাইকমিশন থেকে ইস্যুকৃত ট্রাভেল পারমিট এবং ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের বিজিবি, বিএসএফ, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হস্তান্তার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, দেশে ফেরত আসা নারীদের ট্রাভেল পারমিটসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যশোরের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম বলেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা না আসা পর্যন্ত ফেরত আসা নারীদের সংস্থার হেফাজতেই রাখা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলো দুই নারী

Update Time : ০৬:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
ভারতে পাচার হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার হরিদাসপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে তাদের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফেরত আসারা হলেন, বাগেরহাট জেলার শর খোলা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া নলবুনিয়া গ্রামের মৃত আলী হোসাইন খানের মেয়ে হ্যাপি খান ওরফে আশা খানম (৪৩) ও একই এলাকার কাঞ্চন হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া হাওলাদার ওরফে মারিয়া খান (২৬)।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ভাল কাজের প্রলোভনে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তের চোরাপথে ভারতে গিয়ে নয়াদিল্লীতে বাসা বাড়িতে কাজ করতেন। তারা ২০২৩ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে পাচার হন। পরে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর দিল্লী পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে দিলে আদালত তাদের পাঁচ মাসের সাজা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ জেলার দমদম কারাগারে পাঠায়। সেখানে পাঁচ মাস থাকার পর ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থার আবেদনে তাদের পশ্চিমবঙ্গের একটি হোমে রাখা হয়।
ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ভারতের কলকাতা উপ হাইকমিশন থেকে ইস্যুকৃত ট্রাভেল পারমিট এবং ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের বিজিবি, বিএসএফ, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হস্তান্তার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, দেশে ফেরত আসা নারীদের ট্রাভেল পারমিটসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যশোরের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম বলেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা না আসা পর্যন্ত ফেরত আসা নারীদের সংস্থার হেফাজতেই রাখা হবে।