ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
দুই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন ডিএমএফ কোর্স চলছে, নিয়োগে অনিশ্চয়তা: SACMO পদ নিয়ে সরকারের পদক্ষেপ কতদূর? শার্শায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, ‘শিবিরের কর্মীরা মেধাবী ও উত্তম চরিত্রের’–এমপি আজীজুর রহমান খুচরা সার বিক্রির অভিযোগে কুড়িগ্রামে ডিলারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সাংবাদিক দেবাশীষসহ ৫ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৯ জানুয়ারি ‘ইরানের নাগরিকেরা অনেক সমস্যায় আছেন’: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ‘ঢাবিতে অন্যায় মেনে নেওয়া হয় না, গায়ের জোরে কেউ টিকে থাকতে পারেনি’ নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় কাল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক, আলোচনায় রোহিঙ্গা ও অভিবাসন

ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, বললেন ‘এটি স্বাভাবিক সাংগঠনিক প্রক্রিয়া’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সোমবার তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সাদিক কায়েম জানান, ছাত্রশিবিরে নির্ধারিত সময় পরপর সাংগঠনিক পুনর্গঠন করা হয় এবং সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তার দায়িত্বের সমাপ্তি হয়েছে। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা সাংগঠনিক মতপার্থক্য নেই; এটি সংগঠনের স্বাভাবিক সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি ছাত্রশিবিরে কাজ করার সুযোগকে নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি সংগঠনের নেতা-কর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও দেশ ও সমাজের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সাদিক কায়েম দেশের ছাত্ররাজনীতির পরিচিত মুখ। বিভিন্ন শিক্ষার্থী-সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তিনি এখন পর্যন্ত নতুন কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া বা নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেননি।

ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, সংগঠনের নিয়মিত নেতৃত্ব পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম সংগঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী ঘোষণা করা হবে।

সাদিক কায়েমের এই পদক্ষেপ ছাত্ররাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করলেও তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন

ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, বললেন ‘এটি স্বাভাবিক সাংগঠনিক প্রক্রিয়া’

Update Time : ০৬:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সোমবার তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সাদিক কায়েম জানান, ছাত্রশিবিরে নির্ধারিত সময় পরপর সাংগঠনিক পুনর্গঠন করা হয় এবং সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তার দায়িত্বের সমাপ্তি হয়েছে। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা সাংগঠনিক মতপার্থক্য নেই; এটি সংগঠনের স্বাভাবিক সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি ছাত্রশিবিরে কাজ করার সুযোগকে নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি সংগঠনের নেতা-কর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও দেশ ও সমাজের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সাদিক কায়েম দেশের ছাত্ররাজনীতির পরিচিত মুখ। বিভিন্ন শিক্ষার্থী-সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তিনি এখন পর্যন্ত নতুন কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া বা নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেননি।

ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, সংগঠনের নিয়মিত নেতৃত্ব পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম সংগঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী ঘোষণা করা হবে।

সাদিক কায়েমের এই পদক্ষেপ ছাত্ররাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করলেও তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।