ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, লটারিতে শিক্ষার্থী ভর্তি টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে, দুই মাদক কারবারি আটক ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ২০ আগস্ট এফএসআরইউ চালু, ২–৩ দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হবে গ্যাস সরবরাহ: বিদ্যুৎমন্ত্রী জনগণের অধিকার রক্ষায় স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়তে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী মহাদেও নদে দুই নৌকার মাঝে চাপা পড়ে বালু শ্রমিকের মৃত্যু মাদারীপুরে পানিতে ডুবে এক বৃদ্ধের মৃত্যু নেপালে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ

ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলো দুই নারী

ভারতে পাচার হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার হরিদাসপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে তাদের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফেরত আসারা হলেন, বাগেরহাট জেলার শর খোলা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া নলবুনিয়া গ্রামের মৃত আলী হোসাইন খানের মেয়ে হ্যাপি খান ওরফে আশা খানম (৪৩) ও একই এলাকার কাঞ্চন হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া হাওলাদার ওরফে মারিয়া খান (২৬)।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ভাল কাজের প্রলোভনে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তের চোরাপথে ভারতে গিয়ে নয়াদিল্লীতে বাসা বাড়িতে কাজ করতেন। তারা ২০২৩ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে পাচার হন। পরে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর দিল্লী পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে দিলে আদালত তাদের পাঁচ মাসের সাজা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ জেলার দমদম কারাগারে পাঠায়। সেখানে পাঁচ মাস থাকার পর ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থার আবেদনে তাদের পশ্চিমবঙ্গের একটি হোমে রাখা হয়।
ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ভারতের কলকাতা উপ হাইকমিশন থেকে ইস্যুকৃত ট্রাভেল পারমিট এবং ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের বিজিবি, বিএসএফ, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হস্তান্তার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, দেশে ফেরত আসা নারীদের ট্রাভেল পারমিটসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যশোরের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম বলেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা না আসা পর্যন্ত ফেরত আসা নারীদের সংস্থার হেফাজতেই রাখা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, লটারিতে শিক্ষার্থী ভর্তি

ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলো দুই নারী

Update Time : ০৬:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
ভারতে পাচার হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার হরিদাসপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে তাদের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফেরত আসারা হলেন, বাগেরহাট জেলার শর খোলা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া নলবুনিয়া গ্রামের মৃত আলী হোসাইন খানের মেয়ে হ্যাপি খান ওরফে আশা খানম (৪৩) ও একই এলাকার কাঞ্চন হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া হাওলাদার ওরফে মারিয়া খান (২৬)।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ভাল কাজের প্রলোভনে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তের চোরাপথে ভারতে গিয়ে নয়াদিল্লীতে বাসা বাড়িতে কাজ করতেন। তারা ২০২৩ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে পাচার হন। পরে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর দিল্লী পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে দিলে আদালত তাদের পাঁচ মাসের সাজা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ জেলার দমদম কারাগারে পাঠায়। সেখানে পাঁচ মাস থাকার পর ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থার আবেদনে তাদের পশ্চিমবঙ্গের একটি হোমে রাখা হয়।
ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ভারতের কলকাতা উপ হাইকমিশন থেকে ইস্যুকৃত ট্রাভেল পারমিট এবং ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের বিজিবি, বিএসএফ, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হস্তান্তার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, দেশে ফেরত আসা নারীদের ট্রাভেল পারমিটসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যশোরের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম বলেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা না আসা পর্যন্ত ফেরত আসা নারীদের সংস্থার হেফাজতেই রাখা হবে।