ত্যাগ, আত্মত্যাগ ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বার্তা নিয়ে সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা।
সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকার ঈদগাহ ও মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামে। ঈদের নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
রাজধানীসহ বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী শুরু হয় পশু কোরবানির কার্যক্রম।
এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে শহরাঞ্চলেও বিরাজ করছে আনন্দঘন পরিবেশ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকেই গ্রামের বাড়িতে ছুটে গেছেন। বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে ছিল ঘরমুখো মানুষের ব্যাপক ভিড়।
কোরবানিকৃত পশুর মাংস আত্মীয়-স্বজন ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে ঈদুল আজহার প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই এই ঈদের মূল প্রতিপাদ্য বলে জানিয়েছেন ইসলামিক চিন্তাবিদরা।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।
জহুরুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক 















