ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ছাত্র-আন্দোলনের মুখে শনিবার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
সাম্প্রতিক সময়ে মেডিকেলসহ একাধিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন সংগঠন পরীক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি ও সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি এবং প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করে। আন্দোলন ধীরে ধীরে বৃহত্তর শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে রূপ নেয়।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, চলমান পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে যাতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চয়তার মুখে না পড়ে এবং বিতর্ক অন্য খাতে প্রবাহিত না হয়, সে বিবেচনায় তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদত্যাগ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। তবে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অনেকেই জানিয়েছেন, শুধু মন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্থায়ী সংস্কার, প্রশ্নফাঁস রোধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত তাদের দাবি অব্যাহত থাকবে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের শিক্ষা প্রশাসন, পরীক্ষা পরিচালনা ব্যবস্থা এবং জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং প্রশাসনিক সংস্কারের ওপর গুরুত্ব বাড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

















