ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ আজ সকাল ১১টায়, অনলাইন ও এসএমএসে জানবেন যেভাবে নভেম্বর থেকে টিসিবির পণ্যের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে হলুদ-মরিচের গুঁড়া ও চা ভারত থেকে ট্রাভেল ও এক্সিট পারমিটে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী যশোর কোতোয়ালী থানার ওসি পরিচয়ে চাঁদা দাবি, সতর্ক করল জেলা পুলিশ অবহেলিত ও অধিকারবঞ্চিত শিশুদের পুনর্বাসনই সরকারের লক্ষ্য: সমাজকল্যাণমন্ত্রী গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে গার্মেন্টসকর্মীর মৃত্যু নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিশুদের সৃজনশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের হরমুজ প্রণালীতে মাইনের আঘাতে চার তেলবাহী জাহাজে আগুন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি নিয়ে ইরানের প্রশ্ন জি২০ বৈঠকে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন লাভরভ
ভর্তুকির নির্ভরতা কমিয়ে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ, আগামী অর্থবছরে এক কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য

নভেম্বর থেকে টিসিবির পণ্যের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে হলুদ-মরিচের গুঁড়া ও চা

ভোক্তাদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর থেকে প্যাকেটজাত হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ও চা বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারি এ সংস্থাটি।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সংস্থার নিজস্ব আয় বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে কাপড় কাচার সাবান, গোসলের সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু হয়েছে। নতুন করে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি চা বিক্রির অনুমোদনও পাওয়া গেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরেই এসব পণ্য বিক্রি শুরু হতে পারে।

এ ছাড়া আটা বিক্রির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। বাজারের চাহিদা যাচাই করতে বিভিন্ন পণ্যের ওপর জরিপ পরিচালনা করছে টিসিবি। জরিপে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে নতুন পণ্য যুক্ত করা হবে।

সংস্থাটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে আয় বাড়ানো এবং সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব হবে। এ ধরনের অর্থনৈতিক উদ্যোগ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আরও খবর পাওয়া যাবে তথ্য প্রকাশের অর্থনীতি বিভাগে।

টিসিবি বর্তমানে প্রচলিত বাজারমূল্যের তুলনায় কম দামে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করছে। তবে এসব পণ্যের বিক্রয়মূল্য সংগ্রহমূল্যের চেয়ে বেশি হওয়ায় সংস্থাটি সীমিত পরিমাণে মুনাফাও অর্জন করছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা হয়েছে ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

টিসিবি চেয়ারম্যানের মতে, নতুন পণ্য সংযোজনের পাশাপাশি ক্রেতার সংখ্যা বাড়ানো গেলে আয় বৃদ্ধির বড় সুযোগ তৈরি হবে। সংস্থাটি বর্তমানে নতুন বাণিজ্যিক পণ্যের মাধ্যমে মাসে প্রায় ৫০ লাখ গ্রাহকের কাছে পৌঁছাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে এ সংখ্যা ৭০ থেকে ৮০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। আগামী অর্থবছরে গ্রাহকসংখ্যা এক কোটিতে নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ফয়সল আজাদ জানান, সম্প্রসারিত পণ্য কার্যক্রমের আওতায় এক কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারলে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন নির্ভর করবে বিক্রির পরিমাণ ও পরিচালন দক্ষতার ওপর।

নতুন পণ্য বাজারে এলেও ভর্তুকির আওতায় বিক্রি হওয়া পণ্যগুলোর দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। নতুন পণ্য কেনা সম্পূর্ণ ক্রেতাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। পাশাপাশি এসব পণ্যও প্রচলিত বাজারদরের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।

টিসিবি আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ভোজ্যতেল, ডাল ও চিনিসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য স্মার্ট কার্ডভিত্তিক কর্মসূচির বাইরেও বিক্রির সুযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোজ্যতেল বিক্রির জন্য পরীক্ষামূলক কার্যক্রমও চলছে। এ কর্মসূচিতে যুক্ত হতে আগ্রহী সম্ভাব্য ডিলারদের কাছ থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছে।

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওঠানামাও এ উদ্যোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবসংক্রান্ত প্রতিবেদন নয়, বরং তথ্য প্রকাশের অর্থনীতি বিভাগে প্রকাশিত বাজার ও অর্থনীতিবিষয়ক খবর থেকে এ ধরনের আরও তথ্য পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে পণ্য সংগ্রহ ও বিতরণ ব্যয় কমাতে বেশ কিছু প্রশাসনিক ও আর্থিক পদক্ষেপ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকঋণের পরিবর্তে নগদ অর্থে চিনি ও মসুর ডাল কেনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কম সুদের ব্যাংকিং সুবিধা গ্রহণ এবং এপিআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে বিক্রির অর্থ জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু হয়েছে।

পরিবহন ও পণ্য ওঠানো-নামানোর খরচ কমাতে আঞ্চলিক গুদাম থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থাও চালু করেছে টিসিবি।

পণ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাজার পরিস্থিতিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি। চিনি ও নিয়মিত প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ অব্যাহত থাকলেও পেঁয়াজ ও আলু সারা বছর কেনার পরিকল্পনা নেই। বাজারে সংকট বা সরকারের বিশেষ প্রয়োজন দেখা দিলে এসব পণ্য সংগ্রহ করা হবে।

টিসিবি চেয়ারম্যান জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পেঁয়াজ কেনা হলেও বর্তমানে বাজারে এ পণ্যের সংকট না থাকায় নতুন করে সংগ্রহের প্রয়োজন দেখা দেয়নি। ভবিষ্যতেও বাজারের চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনা করেই পেঁয়াজ ও আলু কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

টিসিবির লক্ষ্য হলো, ধাপে ধাপে পণ্যের সংখ্যা বাড়িয়ে এমন একটি বিক্রয়ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে সাধারণ মানুষ একই স্থান থেকে পরিবারের অধিকাংশ প্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে কিনতে পারবেন। এতে একদিকে ভোক্তাদের ব্যয় কমবে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক আয় বাড়িয়ে সরকারি ভর্তুকির চাপ কমানোর পথ তৈরি হবে।

এদিকে টিসিবির নতুন পণ্যের তালিকায় চা যুক্ত হওয়ার খবরে চা নিয়ে পাঠকদের আগ্রহও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে পড়ুন চা খাওয়ার সব উপকারিতা: কেন প্রতিদিনের পানীয় হিসেবে চা এত জনপ্রিয়?

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ আজ সকাল ১১টায়, অনলাইন ও এসএমএসে জানবেন যেভাবে

ভর্তুকির নির্ভরতা কমিয়ে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ, আগামী অর্থবছরে এক কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য

নভেম্বর থেকে টিসিবির পণ্যের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে হলুদ-মরিচের গুঁড়া ও চা

Update Time : ০৮:৩০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ভোক্তাদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর থেকে প্যাকেটজাত হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ও চা বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারি এ সংস্থাটি।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সংস্থার নিজস্ব আয় বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে কাপড় কাচার সাবান, গোসলের সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু হয়েছে। নতুন করে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি চা বিক্রির অনুমোদনও পাওয়া গেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরেই এসব পণ্য বিক্রি শুরু হতে পারে।

এ ছাড়া আটা বিক্রির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। বাজারের চাহিদা যাচাই করতে বিভিন্ন পণ্যের ওপর জরিপ পরিচালনা করছে টিসিবি। জরিপে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে নতুন পণ্য যুক্ত করা হবে।

সংস্থাটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে আয় বাড়ানো এবং সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব হবে। এ ধরনের অর্থনৈতিক উদ্যোগ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আরও খবর পাওয়া যাবে তথ্য প্রকাশের অর্থনীতি বিভাগে।

টিসিবি বর্তমানে প্রচলিত বাজারমূল্যের তুলনায় কম দামে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করছে। তবে এসব পণ্যের বিক্রয়মূল্য সংগ্রহমূল্যের চেয়ে বেশি হওয়ায় সংস্থাটি সীমিত পরিমাণে মুনাফাও অর্জন করছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা হয়েছে ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

টিসিবি চেয়ারম্যানের মতে, নতুন পণ্য সংযোজনের পাশাপাশি ক্রেতার সংখ্যা বাড়ানো গেলে আয় বৃদ্ধির বড় সুযোগ তৈরি হবে। সংস্থাটি বর্তমানে নতুন বাণিজ্যিক পণ্যের মাধ্যমে মাসে প্রায় ৫০ লাখ গ্রাহকের কাছে পৌঁছাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে এ সংখ্যা ৭০ থেকে ৮০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। আগামী অর্থবছরে গ্রাহকসংখ্যা এক কোটিতে নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ফয়সল আজাদ জানান, সম্প্রসারিত পণ্য কার্যক্রমের আওতায় এক কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারলে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন নির্ভর করবে বিক্রির পরিমাণ ও পরিচালন দক্ষতার ওপর।

নতুন পণ্য বাজারে এলেও ভর্তুকির আওতায় বিক্রি হওয়া পণ্যগুলোর দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। নতুন পণ্য কেনা সম্পূর্ণ ক্রেতাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। পাশাপাশি এসব পণ্যও প্রচলিত বাজারদরের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।

টিসিবি আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ভোজ্যতেল, ডাল ও চিনিসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য স্মার্ট কার্ডভিত্তিক কর্মসূচির বাইরেও বিক্রির সুযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোজ্যতেল বিক্রির জন্য পরীক্ষামূলক কার্যক্রমও চলছে। এ কর্মসূচিতে যুক্ত হতে আগ্রহী সম্ভাব্য ডিলারদের কাছ থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছে।

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওঠানামাও এ উদ্যোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবসংক্রান্ত প্রতিবেদন নয়, বরং তথ্য প্রকাশের অর্থনীতি বিভাগে প্রকাশিত বাজার ও অর্থনীতিবিষয়ক খবর থেকে এ ধরনের আরও তথ্য পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে পণ্য সংগ্রহ ও বিতরণ ব্যয় কমাতে বেশ কিছু প্রশাসনিক ও আর্থিক পদক্ষেপ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকঋণের পরিবর্তে নগদ অর্থে চিনি ও মসুর ডাল কেনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কম সুদের ব্যাংকিং সুবিধা গ্রহণ এবং এপিআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে বিক্রির অর্থ জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু হয়েছে।

পরিবহন ও পণ্য ওঠানো-নামানোর খরচ কমাতে আঞ্চলিক গুদাম থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থাও চালু করেছে টিসিবি।

পণ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাজার পরিস্থিতিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি। চিনি ও নিয়মিত প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ অব্যাহত থাকলেও পেঁয়াজ ও আলু সারা বছর কেনার পরিকল্পনা নেই। বাজারে সংকট বা সরকারের বিশেষ প্রয়োজন দেখা দিলে এসব পণ্য সংগ্রহ করা হবে।

টিসিবি চেয়ারম্যান জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পেঁয়াজ কেনা হলেও বর্তমানে বাজারে এ পণ্যের সংকট না থাকায় নতুন করে সংগ্রহের প্রয়োজন দেখা দেয়নি। ভবিষ্যতেও বাজারের চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনা করেই পেঁয়াজ ও আলু কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

টিসিবির লক্ষ্য হলো, ধাপে ধাপে পণ্যের সংখ্যা বাড়িয়ে এমন একটি বিক্রয়ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে সাধারণ মানুষ একই স্থান থেকে পরিবারের অধিকাংশ প্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে কিনতে পারবেন। এতে একদিকে ভোক্তাদের ব্যয় কমবে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক আয় বাড়িয়ে সরকারি ভর্তুকির চাপ কমানোর পথ তৈরি হবে।

এদিকে টিসিবির নতুন পণ্যের তালিকায় চা যুক্ত হওয়ার খবরে চা নিয়ে পাঠকদের আগ্রহও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে পড়ুন চা খাওয়ার সব উপকারিতা: কেন প্রতিদিনের পানীয় হিসেবে চা এত জনপ্রিয়?