ঢাকা ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব খাগড়াছড়ির কৃষি ও হস্তশিল্পপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ইপিবির মতবিনিময় সভা সোমবার ইসি সভায় চূড়ান্ত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, হ্যাটট্রিক জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে যুবারা রমনায় শুরু ৩৬তম বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র জে-৩০, কাল চার ফাইনাল ফের নাকচ এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও প্লাটিনাম জব্দ দুর্গাপূজায় ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে, ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন জারি, চাপে ইমরান খানের দল চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২০, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৭০

ভারত-বাংলাদেশের সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান যেকোনো সমস্যা সংলাপ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশ আলোচনায় বসলে এমন কোনো সমস্যা নেই যার সমাধান করা সম্ভব নয়। উভয় দেশের জন্য কল্যাণকর ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করাই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ত্রিবেদী সেটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তিনি জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত একজন নেতা।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু অভিন্ন সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে হাইকমিশনার দুই দেশের ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার ভাষায়, দুই দেশ শুধু সীমান্ত নয়, ভবিষ্যৎ ও স্বপ্নও ভাগ করে নেয়।

দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব মতপার্থক্যকে সম্পর্কের ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা প্রয়োজন বলে জানান।

দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধনের কথাও তুলে ধরেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, উভয় দেশের জনগণই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক দেখতে আগ্রহী।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা, সম্মান ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ত্রিবেদী। তার মতে, ধারাবাহিক সংলাপ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব

ভারত-বাংলাদেশের সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার

Update Time : ০৭:১৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান যেকোনো সমস্যা সংলাপ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশ আলোচনায় বসলে এমন কোনো সমস্যা নেই যার সমাধান করা সম্ভব নয়। উভয় দেশের জন্য কল্যাণকর ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করাই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ত্রিবেদী সেটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তিনি জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত একজন নেতা।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু অভিন্ন সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে হাইকমিশনার দুই দেশের ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার ভাষায়, দুই দেশ শুধু সীমান্ত নয়, ভবিষ্যৎ ও স্বপ্নও ভাগ করে নেয়।

দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব মতপার্থক্যকে সম্পর্কের ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা প্রয়োজন বলে জানান।

দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধনের কথাও তুলে ধরেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, উভয় দেশের জনগণই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক দেখতে আগ্রহী।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা, সম্মান ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ত্রিবেদী। তার মতে, ধারাবাহিক সংলাপ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।