ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
সৌদিতে কারখানায় আগুন, নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি রাজারহাটে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি ট্রেন, নতুন যাত্রার সূচনা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমেদের পক্ষে মনোনয়ন ফরম নিল ১১ দলীয় জোট ভারত-বাংলাদেশের সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু, প্রতি পত্রে ফি ১৫০ টাকা সার সরবরাহে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাদারীপুর সদর থানায় হ্যান্ডকাফ পরা আসামির টিকটক, ভিডিও ভাইরাল পরীক্ষা বা লটারি নয়, জিপিএ ও পছন্দক্রমে একাদশে ভর্তি

ভারত-বাংলাদেশের সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান যেকোনো সমস্যা সংলাপ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশ আলোচনায় বসলে এমন কোনো সমস্যা নেই যার সমাধান করা সম্ভব নয়। উভয় দেশের জন্য কল্যাণকর ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করাই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ত্রিবেদী সেটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তিনি জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত একজন নেতা।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু অভিন্ন সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে হাইকমিশনার দুই দেশের ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার ভাষায়, দুই দেশ শুধু সীমান্ত নয়, ভবিষ্যৎ ও স্বপ্নও ভাগ করে নেয়।

দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব মতপার্থক্যকে সম্পর্কের ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা প্রয়োজন বলে জানান।

দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধনের কথাও তুলে ধরেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, উভয় দেশের জনগণই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক দেখতে আগ্রহী।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা, সম্মান ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ত্রিবেদী। তার মতে, ধারাবাহিক সংলাপ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে কারখানায় আগুন, নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভারত-বাংলাদেশের সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার

Update Time : ০৭:১৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান যেকোনো সমস্যা সংলাপ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশ আলোচনায় বসলে এমন কোনো সমস্যা নেই যার সমাধান করা সম্ভব নয়। উভয় দেশের জন্য কল্যাণকর ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করাই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ত্রিবেদী সেটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তিনি জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত একজন নেতা।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু অভিন্ন সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে হাইকমিশনার দুই দেশের ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার ভাষায়, দুই দেশ শুধু সীমান্ত নয়, ভবিষ্যৎ ও স্বপ্নও ভাগ করে নেয়।

দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব মতপার্থক্যকে সম্পর্কের ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা প্রয়োজন বলে জানান।

দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধনের কথাও তুলে ধরেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, উভয় দেশের জনগণই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক দেখতে আগ্রহী।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা, সম্মান ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ত্রিবেদী। তার মতে, ধারাবাহিক সংলাপ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।