ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
সৌদিতে কারখানায় আগুন, নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি রাজারহাটে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি ট্রেন, নতুন যাত্রার সূচনা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমেদের পক্ষে মনোনয়ন ফরম নিল ১১ দলীয় জোট ভারত-বাংলাদেশের সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু, প্রতি পত্রে ফি ১৫০ টাকা সার সরবরাহে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাদারীপুর সদর থানায় হ্যান্ডকাফ পরা আসামির টিকটক, ভিডিও ভাইরাল পরীক্ষা বা লটারি নয়, জিপিএ ও পছন্দক্রমে একাদশে ভর্তি

ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি ট্রেন, নতুন যাত্রার সূচনা

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে গোপালগঞ্জের সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হচ্ছে। সোমবার বিকেলে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটের কমিউটার ট্রেন চলাচল।

কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর রেলস্টেশনে বিকেল ৫টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম ট্রেনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য কে এম বাবর।

রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, উদ্বোধনের দিন ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হবে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে। পরে সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে রাজধানীতে ফিরবে।

নিয়মিত সূচিতে প্রতিদিন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে। গোপালগঞ্জ থেকে ট্রেনটি সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে।

ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাওয়ার পথে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি থাকবে কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, শিবচর, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা ও মহেশপুর স্টেশনে।

আটটি কোচের এই কমিউটার ট্রেনে মোট ৬০৯টি আসন রয়েছে। সাধারণ শ্রেণিতে সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৫ টাকা। ফলে সড়কপথের তুলনায় কম খরচে রাজধানীর সঙ্গে যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হওয়ায় শুধু গোপালগঞ্জ নয়, আশপাশের পিরোজপুর, বাগেরহাট ও নড়াইল জেলার মানুষও এর সুবিধা পেতে পারেন। স্থানীয়দের আশা, নিরাপদ ও তুলনামূলক কম খরচের এই যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমানোর পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিনের এই রেল যোগাযোগ চালু হওয়ায় রাজধানীর সঙ্গে যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য দ্রুত ঢাকার বাজারে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলে কৃষকরাও উপকৃত হবেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, যাত্রীদের ভালো সাড়া পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে এই রুটের সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে কারখানায় আগুন, নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি

ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি ট্রেন, নতুন যাত্রার সূচনা

Update Time : ০৭:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে গোপালগঞ্জের সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হচ্ছে। সোমবার বিকেলে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটের কমিউটার ট্রেন চলাচল।

কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর রেলস্টেশনে বিকেল ৫টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম ট্রেনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য কে এম বাবর।

রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, উদ্বোধনের দিন ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হবে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে। পরে সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে রাজধানীতে ফিরবে।

নিয়মিত সূচিতে প্রতিদিন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে। গোপালগঞ্জ থেকে ট্রেনটি সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে।

ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাওয়ার পথে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি থাকবে কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, শিবচর, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা ও মহেশপুর স্টেশনে।

আটটি কোচের এই কমিউটার ট্রেনে মোট ৬০৯টি আসন রয়েছে। সাধারণ শ্রেণিতে সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৫ টাকা। ফলে সড়কপথের তুলনায় কম খরচে রাজধানীর সঙ্গে যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হওয়ায় শুধু গোপালগঞ্জ নয়, আশপাশের পিরোজপুর, বাগেরহাট ও নড়াইল জেলার মানুষও এর সুবিধা পেতে পারেন। স্থানীয়দের আশা, নিরাপদ ও তুলনামূলক কম খরচের এই যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমানোর পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিনের এই রেল যোগাযোগ চালু হওয়ায় রাজধানীর সঙ্গে যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য দ্রুত ঢাকার বাজারে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলে কৃষকরাও উপকৃত হবেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, যাত্রীদের ভালো সাড়া পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে এই রুটের সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।