বগুড়া সদর ও সারিয়াকান্দি থানায় দায়ের হওয়া পৃথক দুই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিসহ পলাতক ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
মঙ্গলবার ভোরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও বগুড়ার নন্দীগ্রাম এলাকায় পৃথক চারটি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সকালে র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার ফিরোজ আহমেদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২ বগুড়া ও র্যাব-১৩ গাইবান্ধার যৌথ দল সোমবার রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভগরিয়া এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে বগুড়া সদর থানার আতিকুর রহমান সাগর হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি মো. জিলহাজ মন্ডল (৪৬) এবং ১৬ নম্বর আসামি মো. আরিফ প্রাংকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর রাত ২টা ২০ মিনিটে গোবিন্দগঞ্জের খানাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে একই মামলার আসামি মো. লিটন মিয়া (৩৫) ও মো. রব্বানীকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার চারজনই বগুড়া সদর উপজেলার পাঁচবাড়ীয়া এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার ও নথি অনুযায়ী, পূর্ববিরোধের জেরে গত ২৩ জুলাই দুপুরে বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের চালিতাবাড়ী এলাকায় আতিকুর রহমান সাগরের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে ও বৈদ্যুতিক শক দিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্বজনরা তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা করা হয়।
অন্যদিকে, পৃথক অভিযানে মঙ্গলবার রাত ১টা ৩৫ মিনিট ও ২টা ১০ মিনিটের দিকে বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার শিমলা বাজার ও কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় সারিয়াকান্দি থানার মোসলেম উদ্দিন হত্যা মামলার পলাতক আসামি মো. রহিদুল সরকার (৪৭) ও মো. শাহজাহান সরকারকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। তারা দুজনই সারিয়াকান্দি উপজেলার পাকুড়িয়া চর এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-১২ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদের সংশ্লিষ্ট বগুড়া সদর ও সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে র্যাব।
বগুড়া প্রতিনিধি 



















