দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আজ। জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুজন প্রার্থী। তারা হলেন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি নেই এবং সুন্দর একটি নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদী।
সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১৯৯১ সালের পর আর কোনো রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের অনেকেই এ ধরনের নির্বাচনী কার্যক্রমে অভ্যস্ত নন। তবে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি ও মহড়া সম্পন্ন করা হয়েছে, যাতে পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে।
তিনি জানান, এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটগ্রহণের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতার ভোট দেওয়ার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বিকেল ৫টায় ভোট গণনা শুরুর সময়ও লাইভ সম্প্রচার থাকবে।
সিইসি আরও জানান, সংসদ সদস্যরা ভোট দেওয়ার পর চাইলে সংসদে অবস্থান করতে পারবেন এবং ভোট গণনার সময়ও উপস্থিত থাকতে পারবেন।
ভোট গণনা শেষে প্রতিটি প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, কতটি ভোট বাতিল হয়েছে এবং অন্যান্য ফলাফল বিস্তারিতভাবে ঘোষণা করা হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির নামে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















