রাজশাহীর বেলপুকুরে চাঞ্চল্যকর আব্দুল করিম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দ্বিতীয় আসামি মো. মাহাতাব আলীকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শুক্রবার রাতে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানা এলাকায় র্যাব-৫ ও র্যাব-১০-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাহাতাব আলী রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানার ভড়ুয়াপাড়া এলাকার মৃত জয়েন উদ্দিনের ছেলে।
শনিবার র্যাব-৫-এর মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাবের তথ্যমতে, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ভুক্তভোগী ও আসামিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ১১ আগস্ট দুপুরে ভড়ুয়াপাড়া গ্রামের একটি সড়কে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভুক্তভোগীদের ওপর হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, মামলার প্রধান আসামি জিল্লুর রহমানের নির্দেশে মাহাতাব আলী রামদা দিয়ে এক ভুক্তভোগীর পিঠে গুরুতর আঘাত করেন। এ সময় আব্দুল করিম বাধা দিতে গেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকেলে আব্দুল করিমের মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর নিহতের ভাই মো. কালাম বাদী হয়ে বেলপুকুর থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
র্যাব জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে র্যাব-৫ রাজশাহী ও র্যাব-১০ ঢাকার যৌথ দল ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার তুলাগ্রাম বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই মাহাতাব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহাতাব আলী মামলার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র্যাব। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার বিষয়টিও তিনি স্বীকার করেন।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















