খুলনায় এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় শাহিন আলম গাজী নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও দুই মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার খুলনার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা আদালতের বিচারক মো. রাখিবুল ইসলাম এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী হরিদাস তরফদার।
দণ্ডপ্রাপ্ত শাহিন আলম গাজী ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া গ্রামের মাহাবুর গাজীর ছেলে।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৪ সালের ১ মে রাতে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাইরে যান। এই সুযোগে রাত সাড়ে ১২টার দিকে শাহিন তাকে মিথ্যা কথা বলে রুপরামপুর গ্রামের একটি বাগানে নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হলে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটির মা বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুকান্ত কর্মকার শাহিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
পরে ৭ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত শাহিনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের রায় দেন।
খুলনা প্রতিনিধি 
















