ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা জজের

দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ মো. আলমগীর কবীর বলেছেন, নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব দিতে হবে।

বুধবার রাতে দিনাজপুর জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সভাপতি চিত্ত ঘোষের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শহীদ সোহেল-জগন্নাথ সম্মেলন কক্ষে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, দলিত ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের জন্য আইনি সহায়তা আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যেই সভাটির আয়োজন করা হয়। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা হেকস-ইপার এ আয়োজন করে।

সভায় বিচারকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ মো. আলমগীর কবীর বলেন, বৈষম্যহীন দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে এবং আইনের বিধান অনুসরণ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ কাজ করছে। তিনি জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও অসচ্ছল মানুষের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষকে নিজেদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে তুলতে হবে। আদালতে বিচারাধীন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর মামলাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া এবং আইন অনুযায়ী দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আরও বলেন, রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো সমাজের কোনো জনগোষ্ঠী যেন পিছিয়ে না থাকে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, দলিত ও অন্যান্য পিছিয়ে থাকা মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনি সুরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের জন্য সরকারি লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিনা খরচে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।

তিনি এসব জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আইনজীবী ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথকভাবে মতবিনিময়ের পরামর্শ দেন।

হেকস-ইপার বাংলাদেশের পার্টনারশিপ ম্যানেজার ও সিনিয়র প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজার সাইবুন নেসার সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন সংস্থাটির টেকনিক্যাল কর্মকর্তা পাপন কুমার সরকার। সভার ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন মৌমিতা জাহান।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্পেশাল জজ প্রদীপ কুমার রায়, নারী নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মো. হুমায়ুন কবির সরকার, শিশু সহিংসতা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোস্তফা কামাল, ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক খন্দকার এ.টি.এম. তোফায়েল, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ কবির, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ফাতিমা খাতুন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ইসরাফিল আলম, সিনিয়র সিভিল জজ মোস্তাফিজুর রহমান ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয় কিশোর নাগ। এছাড়া জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সভাপতি চিত্ত ঘোষ ও উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সফিকুল হক ছুটুও বক্তব্য দেন।

আলোচনা পর্বে বিভিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাদের আলোচনায় জমি ও কবরস্থান দখল, বৈষম্য এবং নিজস্ব পরিচয় ও অধিকার সংক্রান্ত নানা বিষয় উঠে আসে। নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয়ে পরিচিত হওয়ার বিষয়েও তারা গুরুত্ব দেন।

বক্তারা বলেন, শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়লে অনেক সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়েই মোকাবিলা করা সম্ভব। জমি দখলের মতো কোনো ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য ভিডিও ধারণ করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল কেউ মামলা করতে চাইলে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, সরকারি ব্যবস্থায় বিনা খরচে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভয় বা সংকোচ না করে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।

সভায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ, প্রশাসন, পুলিশ, আইনজীবী এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে হেকস-ইপারের পক্ষ থেকে জেলা ও দায়রা জজ মো. আলমগীর কবীরকে ক্রেস্ট দেওয়া হয়। পরে আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জীবনমান উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সভাপতি চিত্ত ঘোষ, আদিবাসী অধিকারকর্মী রেখা হাসদা এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ইসরাফিল আলমকেও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

মতবিনিময় সভায় জেলার বিচারকরা ছাড়াও জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সদস্য, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

চকরিয়ায় লেগুনা-বাস সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা জজের

Update Time : ০৭:২৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ মো. আলমগীর কবীর বলেছেন, নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব দিতে হবে।

বুধবার রাতে দিনাজপুর জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সভাপতি চিত্ত ঘোষের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শহীদ সোহেল-জগন্নাথ সম্মেলন কক্ষে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, দলিত ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের জন্য আইনি সহায়তা আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যেই সভাটির আয়োজন করা হয়। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা হেকস-ইপার এ আয়োজন করে।

সভায় বিচারকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ মো. আলমগীর কবীর বলেন, বৈষম্যহীন দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে এবং আইনের বিধান অনুসরণ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ কাজ করছে। তিনি জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও অসচ্ছল মানুষের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষকে নিজেদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে তুলতে হবে। আদালতে বিচারাধীন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর মামলাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া এবং আইন অনুযায়ী দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আরও বলেন, রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো সমাজের কোনো জনগোষ্ঠী যেন পিছিয়ে না থাকে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, দলিত ও অন্যান্য পিছিয়ে থাকা মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনি সুরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের জন্য সরকারি লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিনা খরচে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।

তিনি এসব জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আইনজীবী ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথকভাবে মতবিনিময়ের পরামর্শ দেন।

হেকস-ইপার বাংলাদেশের পার্টনারশিপ ম্যানেজার ও সিনিয়র প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজার সাইবুন নেসার সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন সংস্থাটির টেকনিক্যাল কর্মকর্তা পাপন কুমার সরকার। সভার ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন মৌমিতা জাহান।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্পেশাল জজ প্রদীপ কুমার রায়, নারী নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মো. হুমায়ুন কবির সরকার, শিশু সহিংসতা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোস্তফা কামাল, ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক খন্দকার এ.টি.এম. তোফায়েল, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ কবির, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ফাতিমা খাতুন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ইসরাফিল আলম, সিনিয়র সিভিল জজ মোস্তাফিজুর রহমান ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয় কিশোর নাগ। এছাড়া জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সভাপতি চিত্ত ঘোষ ও উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সফিকুল হক ছুটুও বক্তব্য দেন।

আলোচনা পর্বে বিভিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাদের আলোচনায় জমি ও কবরস্থান দখল, বৈষম্য এবং নিজস্ব পরিচয় ও অধিকার সংক্রান্ত নানা বিষয় উঠে আসে। নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয়ে পরিচিত হওয়ার বিষয়েও তারা গুরুত্ব দেন।

বক্তারা বলেন, শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়লে অনেক সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়েই মোকাবিলা করা সম্ভব। জমি দখলের মতো কোনো ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য ভিডিও ধারণ করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল কেউ মামলা করতে চাইলে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, সরকারি ব্যবস্থায় বিনা খরচে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভয় বা সংকোচ না করে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।

সভায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ, প্রশাসন, পুলিশ, আইনজীবী এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে হেকস-ইপারের পক্ষ থেকে জেলা ও দায়রা জজ মো. আলমগীর কবীরকে ক্রেস্ট দেওয়া হয়। পরে আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জীবনমান উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সভাপতি চিত্ত ঘোষ, আদিবাসী অধিকারকর্মী রেখা হাসদা এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ইসরাফিল আলমকেও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

মতবিনিময় সভায় জেলার বিচারকরা ছাড়াও জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সদস্য, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দলিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।