ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
চীনের আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে ঢাকা ছাড়লেন মাহদী আমিন ঢাকায় ভুটানের রাজাকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের উষ্ণ অভ্যর্থনা দেশে সারের সংকট নেই, মজুত ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টন: তথ্য উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাটকেলঘাটায় বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীর ভূঞাপুরে যমুনা থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা সাঘাটায় ১৬টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস ফ্রান্সে টর্নেডোর তাণ্ডব, আহত ৪১; ক্ষতিগ্রস্ত শত শত বাড়িঘর ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০১, উদ্ধার অস্ত্র ও বিপুল মাদক তিন দিন সাগরে ভাসছিলেন ১৬ জেলে, নৌবাহিনীর অভিযানে মিলল নিরাপদ আশ্রয়

ঢাকায় ভুটানের রাজাকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের উষ্ণ অভ্যর্থনা

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুককে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সিঙ্গাপুর থেকে ভুটানে ফেরার পথে বুধবার ভোরে ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ভুটানের রাজার সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেন। রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাঁদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ সময় ভুটানের রাজা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা এবং রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ছিল ভুটান, যা দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ ঐতিহাসিক মর্যাদা দিয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও গভীর শ্রদ্ধার কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।

দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় ভুটানের রাজা তাঁর ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিঙ্গাপুর থেকে আসা ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা ত্যাগ করে ভুটানের উদ্দেশে যাত্রা করে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে ঢাকা ছাড়লেন মাহদী আমিন

ঢাকায় ভুটানের রাজাকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের উষ্ণ অভ্যর্থনা

Update Time : ০৫:২৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুককে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সিঙ্গাপুর থেকে ভুটানে ফেরার পথে বুধবার ভোরে ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ভুটানের রাজার সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেন। রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাঁদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ সময় ভুটানের রাজা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা এবং রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ছিল ভুটান, যা দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ ঐতিহাসিক মর্যাদা দিয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও গভীর শ্রদ্ধার কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।

দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় ভুটানের রাজা তাঁর ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিঙ্গাপুর থেকে আসা ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা ত্যাগ করে ভুটানের উদ্দেশে যাত্রা করে।