চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী তিব্বতের গিরং এলাকায় ভূমিধসের ফলে সৃষ্ট একটি হ্রদ যেকোনো সময় উপচে পড়ে নিচের দিকে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে চীন। দেশটির পানিসম্পদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন হ্রদটির পানির উচ্চতা বাড়তে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, ১ সেপ্টেম্বরের দিকে পানির স্তর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
বুধবার গিরং এলাকায় কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত নেমে আসার পর সেখানে হ্রদটির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে পানিসম্পদ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে হ্রদটিতে প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি জমতে পারে। এতে প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে আকস্মিক বন্যার পানি নিচের দিকে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে গিরং বন্দরসহ আশপাশের নিম্নাঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। আবহাওয়া পূর্বাভাসেও আগামী তিন দিন ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে উদ্ধার ও নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দুর্গত এলাকা থেকে ৪৯৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ৫৫৫ জন পর্যটককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে সরিয়ে নেওয়া পর্যটকদের জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 


















